ফিফা পোর্তোর ব্রাজিলে জন্ম নেয়া মিডফিল্ডার ফার্নান্দোর পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপ খেলার অনুরোধে ভেটো দিয়েছে। ২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলারটিকে গেল ডিসেম্বরে পর্তুগালের নাগরিকত্ব দেয়া হয়। তিনি ২০০৭ সালে ব্রাজিলের ভিলা নোভা থেকে পোর্তোয় যোগ দেন। বার্তা সংস্থা জিনহুয়া জানায় পর্তুগীজ ফুটবল ফেডারেশনের দেয়া এক বিবৃতিতে শুক্রবার বলা হয় ফিফা এ অনুরোধ অগ্রাহ্য করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়-‘ফিফা মনে করে খেলোয়াড়টি ব্রাজিলের হয়ে অনূর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে খেলায় নিয়ম অনুযায়ী সে পর্তুগালের জাতীয়তাধারী নয়।’
ফার্নান্দো আশা করেছিল ব্রাজিলে জন্ম নিলেও আনুগত্য বদলানো ব্রাজিলীয়দের দীর্ঘ তালিকায় তিনিও যোগ দিতে পারবেন। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয়তা বদলানো এমন খেলোয়াড়রা হলেন-ডেকো (পর্তুগাল), মার্কোস সেনা (স্পেন), পেপে (পর্তুগাল), দিয়েগো কস্তা (স্পেন)।
সাও পাওলোয় পানির
সংকট অত্যাসন্ন
বিশ্বকাপ শুরু হতে আর পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় নেই। এর মধ্যে খবর বেরিয়েছে ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার উদ্বোধনী খেলাটির শহর সাও পাওলোতে পানির সংকট অত্যাসন্ন।
জানা গেছে ১৯৩০ সালের পর এই প্রথম সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাতের কারণে সেখানকার নদীগুলো শুকিয়ে গেছে এবং আশংকা করা হচ্ছে টুর্নামেন্ট চলাকালে অনাবৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে সফরকারীদের উপর।
ব্রাজিল ১২ জুন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী খেলায় সাও পাওলোর কোরিন্থিয়ান্স অ্যারিনায় ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে। একই স্টেডিয়ামে ১৯ জুন উরুগুয়ের মোকাবেলা করবে ইংল্যান্ড।
পানির ব্যবহার নিয়ে কাজ করা একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠান এইচটুসি’র পরিচালক পাওলো কস্তা এ ব্যাপারে বলেন, ‘এরকমটা অব্যাহত থাকলে, বিশ্বকাপের সময় ব্যাপারটা নিয়ে হাস্যকর হয়ে উঠবে। এটা খুবই গুরুতর এবং আমরা বিশ্বকাপের দ্বারপ্রান্তে। আমাদের যা করা দরকার ছিল সরকার সে ব্যাপারে আগে থেকে কোন কাজ করে রাখেনি। আমরা এমন একটা অবস্থায় আছি যে পানি বরাদ্দও নির্দিষ্ট করা অত্যাসন্ন।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বে সবচাইতে বেশি পানি সরবরাহের দেশটিতে পানির বিতরণে কড়াকড়ি বড় সমস্যা। বিশ্বের সবচাইতে বড় মেট্রোপলিটন শহর সাও পাওলোতে বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট চলাকালে সফরকারীদের জন্য পানি থাকবে না, তাহলে আমরা যা করতে যাচ্ছি সেটা তো দুঃখদায়ক।’মেইলঅনলাইন
