স্বামী :শোনো আমি যদি অফিসের কাজে আটকে যাই তাহলে তোমাকে এসএমএস দিয়ে জানিয়ে দেব। তুমি খেয়ে নিও।
স্ত্রী :তার আর দরকার হবে না। তুমি আমাকে দেওয়ার জন্য যে এসএমএসটা আগেই লিখে রেখেছিলে সেটা তোমার মোবাইল থেকে চাপ লেগে আগেই চলে এসেছে!
ডাক্তার :আপনার স্ত্রীর অপারেশনে আমরা লোকাল অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহার করব।
বড়লোক স্বামী :ডাক্তার, আমার অর্থের অভাব নেই, আমার স্ত্রীকে লোকাল কিছু দেবেন না। যা দেবেন সব যেন ইমপোর্টেড হয়।
শিক্ষক :বিল্টু বলতো, তাজমহল কার তৈরি?
বিল্টু :একদল শ্রমিকের, স্যার।
শিলাবৃষ্টিতে নিজের গাড়িটার রফাদফা অবস্থা। জায়গায় জায়গায় ট্যাপ খেয়ে পুরোপুরি ঝাঁঝরা! ঠেলে ঠেলে বিধ্বস্ত গাড়িটাকে মেকানিকের কাছে নিয়ে গিয়েছে সান্তা সিং। কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক করতে বেশ বড় একটা টাকার মামলা। পকেটে অত টাকাও নেই। অগত্যা বাড়িমুখো হয় সান্তা।
বাড়ি গিয়ে একটা লম্বামতো পাইপ গাড়িটার তেল ভরানোর ফোকরে ঢুকিয়ে ফুঁ দিতে শুরু করল সে। উদ্দেশ্য বাতাস দিয়ে গাড়িটার ট্যাপগুলো যদি ঠিক করা যায়। ঘণ্টাখানেক ফুঁ দিয়ে ক্লান্ত সান্তা।
ঠিক সে সময় বান্তা এসে হাজির। সব দেখেটেকে সে বলল, ‘আরে বুদ্ধু, তুই যে বাতাস দিচ্ছিস, তার সবই তো বেরিয়ে যাচ্ছে!’
সান্তা তো অবাক! ‘কেমন করে?’
‘কেমন করে আবার, তোর গাড়ির সব কটা জানালাই তো খোলা!’
