৩৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের প্রতিবেদন

আপডেট : ০৫ মে ২০১৪, ২২:৫৮
পাঁচ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২৭ মামলায় সোনালী ব্যাংকের ৩৭২ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগে অভিযোগপত্র তৈরি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত টিম। এ প্রতিবেদনে সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির ও হল-মার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদসহ ৩৪ জনকে আসামি করে চার্জশিটের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে গত রবিবার দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামানের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে দুদকের জ্যেষ্ঠ উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে আট সদস্যের তদন্ত টিম। চলতি সপ্তাহে যাচাই-বাছাই শেষে ওই সব মামলার চার্জশিট অনুমোদন দেয়া হতে পারে। এ পাঁচ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ডিএন স্পোর্টস লিমিটেড, টি অ্যান্ড ব্রাদার্স, প্যারাগন নিট কম্পোজিট লিমিটেড, নকশী নিট কম্পোজিট লিমিটেড ও খান জাহান আলী সোয়েটার লিমিটেড। দুদক সূত্রে জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হুমায়ুন কবিরসহ সোনালী ব্যাংকের ১৬ কর্মকর্তাকে চার্জশিটভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ওই পাঁচ প্রতিষ্ঠানের ১৬ জন কর্ণধার, হল-মার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদ, মহাব্যবস্থাপক (জিএম) তুষার আহমেদকে আসামি করে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ভুয়া এলসি ও জালিয়াতির মাধ্যমে অস্তিত্বহীন এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ বরাদ্দ দেখিয়ে ‘ফান্ডেট’ অংশে ৩৭২ কোটি ৮২ লাখ ৩৬ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা লোপাট করেছে। অস্তিত্বহীন এসব প্রতিষ্ঠানের শনাক্তকারী হয়েছেন হল-মার্কের এমডি তানভীর ও জিএম তুষার। ফলে এ দুজনকেও চার্জশিটভুক্ত আসামি করা হয়েছে। এতে প্রতারণা, জালিয়াতি ও আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংকের হোটেল রূপসী বাংলা শাখা থেকে প্রায় ৩৭৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পৃথকভাবে পাঁচ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা দায়ের করে দুদক।