ফকিরের রুটি পড়া খেয়ে অসুস্থ ৫০

আপডেট : ০৬ মে ২০১৪, ২১:১১
শরীয়তপুর সদর উপজেলার টুমচর গ্রামের মোতালেব আকনের ঘর থেকে ১ মাস আগে একটি স্বর্ণের চেইন হারিয়ে যায়। চেইনটি উদ্ধারের জন্য তিনি গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর উপজেলার নলকোনা গ্রামের ফকির আব্দুর রাজ্জাকের শরণাপন্ন হন। ওই ফকিরের দেয়া রুটি পড়া খেয়ে মঙ্গলবার টুমচর গ্রামের ৫০ ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের শরীয়তপুর ও মাদারীপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, ফকির আব্দুর রাজ্জাক গত রবিবার মোতালেব আকনকে ৪ কেজি আটা পড়ে দেন। ফকির আব্দুর রাজ্জাক মোতালেব আকনকে বলেন, এ আটা দিয়ে রুটি বানিয়ে খাওয়ালে চোর শনাক্ত হবে। যে চেইন চুরি করেছে সে অসুস্থ হয়ে পড়বে। ফকিরের কথা অনুযায়ী মোতালেব মঙ্গলবার সকালে গ্রামের কিছু লোককে পড়ে দেয়া রুটি খাওয়ার জন্য তার বাড়িতে ডাকেন। তখন ৫০ ব্যক্তিকে ওই রুটি খাওয়ানো হয়। রুটি খাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। মোতালেব আকনের স্ত্রী তাসলিমা বেগম বলেন, ফকির চোর শনাক্ত করে দেয়ার জন্য ১২ হাজার টাকা নিয়েছে। তার পড়ে দেয়া রুটি খেয়ে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়বে তা বুঝতে পারিনি। দিগনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন জানান, নলকোনা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক স্থানীয়ভাবে প্রতারক হিসেবে পরিচিত। তার সম্পর্কে এর আগেও আমার কাছে নালিশ এসেছে। বিষয়টি আমি মোকসেদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানাব।