কালিয়াকৈরে পুলিশের হামলায় স্কুল ছাত্র হাসপাতালে

আপডেট : ০৭ মে ২০১৪, ২২:৫৫
জেলায় কালিয়াকৈরে গত মঙ্গলবার রাতে পুলিশের হামলায় সজিব চন্দ্র সরকার (১৫) নামে এক স্কুল ছাত্র মারাত্মক আহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত সজিব উপজেলার গোলামনবী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তার বাবার নাম সুভাষ চন্দ্র সরকার। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নামা সূত্রাপুর গ্রামের সুভাষ চন্দ্র সরকারের সাথে একই গ্রামের নিরঞ্জন চন্দ্র গংয়ের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনায় প্রথমে সুভাষ চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে নিরঞ্জন গংয়ের নামে কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এরপর বিবাদী নিরঞ্জন চন্দ্র সরকার ক্ষুব্ধ হয়ে গত মঙ্গলবার বিকালে সুভাষ চন্দ্র সরকার গংয়ের নামে কালিয়াকৈর থানায় আরেকটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এএসআই মো. সেকান্দর মামলার অভিযোগ পেয়ে একই দিন আনুমানিক রাত ৮টার দিকে একদল পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে তদন্তে যান। সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা যায়, এএসআই সেকান্দর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুভাষের লোকজনকে গালিগালাজ করেন। উপস্থিত লোকজন এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে এএসআই সেকান্দরের নেতৃত্বে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা সুভাষ চন্দ্র সরকারের লোকজনের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এ সময় অন্যরা দৌড়ে পালিয়ে গেলেও স্কুল ছাত্র সজিবকে প্রতিপক্ষ গৌরাঙ্গ ও নিরঞ্জন ধাওয়া করে ধরে ফেলে। এক পর্যায়ে নিরঞ্জন ও গৌরাঙ্গ সজিবের ২ হাত শক্ত করে ধরে রাখে আর এএসআই সেকান্দর তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে সজিবকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে বলে আহত সজিবের বাবা সুভাষ সরকার জানান। এএসআই সেকান্দর বলেন, আমি লোকজনকে বকাঝকা করেছি। তবে কোন মারধরের ঘটনা ঘটেনি ।