গত ৬ মে সন্ধ্যায় আরটিভিতে ২০১৩ সালের পয়লা জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রচারিত সকল নাটক ও অনুষ্ঠানসমূহের মধ্যে থেকে সৃজনশীল নাট্যকার, পরিচালক, অভিনয়শিল্পী, কণ্ঠশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, ব্যান্ড বিভাগসহ মোট ২৮টি ক্যাটগরিতে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। দেশের শিল্প ও সাংস্কৃতির বিকাশে অবদান রাখার জন্য এবারে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয় মুস্তাফা মনোয়ারকে।
অ্যাওয়ার্ড প্রদানের পাশাপাশি ছিল বাংলাদেশের নবীন-প্রবীণ খ্যাতিমান শিল্পীদের মনমাতানো নানা পরিবেশনা।
পুরস্কার পেলেন যারা—
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী যৌথভাবে দিলারা জামান ও চিত্রলেখা গুহ (চোখ)। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা যৌথভাবে মাসুদ আলী খান (অপুর অপেক্ষায়) ও হান্নান শেলী (বীরকন্যা। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী কেন্দ্রীয় চরিত্রে নুসরাত ইমরোজ তিশা (বীরকন্যা)। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা কেন্দ্রীয় চরিত্র সজল (অপুর অপেক্ষায়)। শ্রেষ্ঠ রচয়িতা শরীফ আতিক-উজ-জামান (চোখ)। শ্রেষ্ঠ পরিচালক হাসান মোরশেদ (অপুর অপেক্ষায়)। সংগীতে প্রমিজিং সিঙ্গার (পুরুষ) অলোক সেন, প্রমিজিং সিঙ্গার (নারী) নির্ঝর, ব্যান্ড (মিউজিক) দলছুট, সিনিয়র কণ্ঠশিল্পী (পুরুষ) খুরশিদ আলম। সিনিয়র কণ্ঠশিল্পী (নারী) চন্দনা মজুমদার। একপর্ব ও টেলিফিল্মে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী কেন্দ্রীয় চরিত্রে দিলারা জামান (সৌরভ)। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্র সৈয়দ হাসান ইমাম (স্বপ্ন ও ভ্রুণ)। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী কেন্দ্রীয় চরিত্র তারিন জাহান (বিকেল বেলার গল্প)। শ্রেষ্ঠ রচয়িতা মাসুম রেজা ( স্বপ্ন ও ভ্রুণ)। শ্রেষ্ঠ পরিচালক সাইফ আহমেদ (স্বপ্ন ও ভ্রুণ)।
অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আরটিভির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম, এমপি। এছাড়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক রহমান ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীলিপ কুমার আগরওয়ালা। পুরো অনুুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন সজল, নাবিলা, মুনমুন ও ফারিয়া।
