প্রশাসনে জমে থাকা প্রস্তাব নিষ্পত্তির উদ্যোগ

আপডেট : ০৮ মে ২০১৪, ২৩:০৮
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুকরণীয় উদ্যোগে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ১২টি প্রস্তাবের তাত্ক্ষণিক সমাধান মিললো। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত থেকে এসব প্রস্তাবের তাত্ক্ষণিক সমাধান দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বৈঠক করেন। সিনিয়র সচিব ইত্তেফাককে জানান, পর্যায়ক্রমে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগে এ ধরনের বৈঠক করা হবে এবং ঝুলে থাকা সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে। ইতিপূর্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৪৪টি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। সব মন্ত্রণালয় থেকেই এমন নানা প্রস্তাব যায় জনপ্রশাসনে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের জোগান ও নানা ধরনের ফাঁক-ফোকরের অজুহাতে ঝুলিয়ে রাখা হয় অনেক প্রস্তাব। দীর্ঘদিন পর এই মন্ত্রণালয়ে মিসেস ইসমাত আরা সাদেককে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। এরপরই মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উইংয়ে জমে থাকা কাজকর্ম সম্পর্কে মন্ত্রণালয় ওই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অনিষ্পন্ন বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী নিজেই প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছেন। প্রথম দিন তাঁর নেতৃত্বে একটি দল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে নিষ্পত্তি করা উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবগুলো হচ্ছে প্রতি জেলা হাসপাতালে পুষ্টিবিদের পদ ও বার্ন ইউনিটে ১৪ কর্মকর্তার পদ সৃষ্টি এবং ক্যানসার ইউনিটসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়। পদ সৃষ্টি থেকে শুরু করে বিধি প্রণয়ন পর্যন্ত সব বিষয়ে যেকোনো মন্ত্রণালয়কে বা বিভাগের কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু নানা কারণে অনুমোদনের ফাইল সহজে নড়ে না। নতুন এই উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন সচিব কামাল আবদুল নাসের বলেন, ‘আমরা চাই দীর্ঘদিন ধরে যেসব অনিষ্পন্ন বিষয় পড়ে আছে, তা দ্রুত নিষ্পন্ন হোক। এতে জনগণই উপকৃত হবে। দীর্ঘসূত্রতা, ফাইল চালাচালিসহ নানা তথ্য চাওয়ার কারণে এসব সিদ্ধান্ত হতে বছর লেগে যায়। আশা করি এখন সব মন্ত্রণালয়ের জরুরি বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হবে।’