প্রাচীনকালে মানুষ গাছের পাতা, ভূর্জপত্র বা গাছের ছালে, পশুর চামড়ায়, বা তামার পাতে পত্র লিখত
আতাউর রহমান সায়েম
শিক্ষক ,বাংলা
পত্র
১. চিঠির ব্যবহার কখন শুরু হয়?
উ: কাগজ আবিষ্কারেরও পূর্বে।
২. তথ্য আদান-প্রদানের সবচেয়ে সহজ ও সুপ্রাচীন মাধ্যম কী?
উ: পত্র।
৩. প্রাচীন কালে মানুষ কিসে কিসে পত্র লিখত?
উ: গাছের পাতা, ভূর্জপত্র বা গাছের ছালে, পশুর চামড়ায়, বা তামার পাতে।
৪. ‘পত্র’ শব্দের উত্পত্তি হয় কী থেকে?
উ: পাতা বা পত্র।
৫. চিঠি লেখাকে সাধু ভাষায় কী বলে?
উ: পত্র লিখন
৬. পত্র লিখন কাকে বলে?
উ: চিঠি লেখাকে সাধু ভাষায় পত্র লিখন বলে।
৭. পত্র মোট কত প্রকার?
উ: ৬ প্রকার।
৮. পত্রের প্রকারভেদগুলো লেখ?
উ: ক. ব্যক্তিগত পত্র খ. নিমন্ত্রণ পত্র
গ. ব্যবসায়িক পত্র ঘ. আনুষ্ঠানিক পত্র
ঙ. সংবাদপত্রে প্রকাশের পত্র
চ. অভিনন্দন পত্র।
৯. আনুষ্ঠানিক পত্র কত প্রকার?
উ: ২ প্রকার
১০. আবেদন পত্র ও চাকরির দরখাস্ত কোন পত্রের অন্তর্গত?
উ: আনুষ্ঠানিক পত্র।
১১. পত্রের প্রধান অংশ কয়টি?
উ: ২টি
১২. ‘শিরোনাম’ পত্রের কোথায় থাকে?
উ: বাহিরে।
১৩. পত্রগর্ভের অপর নাম কী?
উ: অন্তর্গত।
১৪. পত্রের বহির্ভাগ এর অপর নাম কী?
উ: শিরোনাম
১৫. পত্রগর্ভের কয়টি অংশ?
উ: ৫টি
১৬. মঙ্গলসূচক বাণী পত্রের কোন অংশের অন্তর্গত?
উ: পত্রগর্ভের।
১৭. বর্তমানের ব্যক্তিগত পত্রের কোন অংশটি বর্জনীয় বলে গণ্য হচ্ছে?
উ: মঙ্গলসূচক শব্দ
১৮. পত্রগর্ভে কার ঠিকানা লিখতে হয়?
উ: প্রেরকের।
১৯. ব্যক্তিগত পত্রে পত্রগর্ভের কোথায় ঠিকানা ও তারিখ লিখতে হয়?
উ: উপরে ডানে।
২০. পত্রগর্ভের যা লিখা হয় তাকে কী বলে?
উ: মূলবক্তব্য।
২১. পত্রগর্ভের ২য় পর্ব কী?
উ: সম্ভাষণ।
২২. ‘পাক জনাবেষু’ শব্দটি পত্রে কোন পর্বে আলোচিত হয়?
উ: সম্ভাষণ।
২৩. ‘দোয়াবর’ কাদের বোঝাতে লেখা হয়?
উ: কণিষ্ঠ জনদের।
২৪. কল্যাণবরেষু কাদের বোঝাতে লেখা হয়?
উ: কণিষ্ঠদের।
২৫. বন্ধুদের কী বলে সম্ভাষণ জানানো হয়?
উ: প্রিয়।
২৬. সুচারিতাষু কাদের বোঝাতে হয়?
উ: সমবয়সী মেয়ে।
২৭. গুরুজণদের বোঝায় এমন কয়েকটি শব্দ লেখ।
উ: পাকজনাবেষু, বখেদমবেষু, মোবারক জনাবেষু ইত্যাদি।
২৮. শ্রদ্ধেয় মহিলাদের সম্বোধনে ব্যবহূত একটি শব্দ লেখ।
উ: শ্রদ্ধাসম্পাদাসু (স্ত্রী)
২৯. প্রেরকের স্বাক্ষরের আগে শিষ্ঠাচার জ্ঞাতক শব্দসমূহ লেখা হয় কি? উ: হয়।
৩০. প্রাপক বড় হলে প্রেরকের আগে লেখা হয় এমন ২টি শব্দ লেখ।
উ: স্নেহের, পাকসার।
৩১. প্রাপকের নামের আগে ‘জনাব’, ‘মহাশয়’ লেখা হয় কেন?
উ: প্রাপক যদি অপরিচিত বা অল্প পরিচিত হয়।
৩২. মূলবক্তব্য শুরুর আগে কী জানাতে হয়?
উ: যথাযথ কুশলাদি।
৩৩. পত্রগর্ভের সর্বশেষ স্তর কী?
উ: পত্র লেখকের স্বাক্ষর।
৩৪. প্রেরক কে?
উ: যে পত্র লেখে বা পাঠায়।
৩৫. প্রাপক কে?
উ: যে পত্র পায় বা পাবে।
৩৬.ব্যক্তিগত পত্রে ইতির নিচে প্রেরকের সাধারণত কোন্ ধরনের নাম ব্যবহার করা হয়?
উ: ডাক নাম।
৩৭. ডাক-টিকেট কোথায় ও কোন দিকে অবস্থিত?
উ: শিরোনাম অংশের বা খামের উপরে ডানে।
৩৮. কোথায় প্রাপকের নাম ঠিকানা লিখতে হয়?
উ: খামে।
৩৯. বর্তমানে কোন চিঠি ব্যবহূত হয়?
উ: সাহিত্যিক চিঠি।
৪০. চিঠি লিখার পদ্ধতি কয়টি?
উ: ২টি
৪১. চিঠি লেখার পদ্ধতিগুলোর নাম লেখ?
উ: (১) প্রচলিত/ বিট্রিশ পদ্ধতি/ সনাতন পদ্ধতি ও (২) আমেরিকান পদ্ধতি/ আধুনিক পদ্ধতি।
৪২. খামের আকৃতি কত ইঞ্চি হয়?
উ: সাধারণত ৫ ইঞ্চি/৩ ইঞ্চি
৪৩. প্রাপকের ঠিকানা কোন দিকে লেখা হয়? উ: ডান দিকে।
৪৪. কোন ভাষায় চিঠি লেখা উত্তম?
উ: চলিত ভাষায়
৪৫. পত্র লেখক কখন স্বাক্ষর করে?
উ: পত্রের বক্তব্যের শেষে।
৪৬. ‘পত্র’ শব্দটিরর আভিধানিক অর্থ কী?
উ: চিহ্ন বা স্বাক্ষর।
৪৭. পত্রের মূল অংশকে কী বলে?
উ: গর্ভাংশ বা পত্রগর্ভ।
