নবম-দশম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয়পত্র

আপডেট : ০৯ মে ২০১৪, ১৯:৩৩
প্রাচীনকালে মানুষ গাছের পাতা, ভূর্জপত্র বা গাছের ছালে, পশুর চামড়ায়, বা তামার পাতে পত্র লিখত আতাউর রহমান সায়েম শিক্ষক ,বাংলা পত্র ১. চিঠির ব্যবহার কখন শুরু হয়? উ: কাগজ আবিষ্কারেরও পূর্বে। ২. তথ্য আদান-প্রদানের সবচেয়ে সহজ ও সুপ্রাচীন মাধ্যম কী? উ: পত্র। ৩. প্রাচীন কালে মানুষ কিসে কিসে পত্র লিখত? উ: গাছের পাতা, ভূর্জপত্র বা গাছের ছালে, পশুর চামড়ায়, বা তামার পাতে। ৪. ‘পত্র’ শব্দের উত্পত্তি হয় কী থেকে? উ: পাতা বা পত্র। ৫. চিঠি লেখাকে সাধু ভাষায় কী বলে? উ: পত্র লিখন ৬. পত্র লিখন কাকে বলে? উ: চিঠি লেখাকে সাধু ভাষায় পত্র লিখন বলে। ৭. পত্র মোট কত প্রকার? উ: ৬ প্রকার। ৮. পত্রের প্রকারভেদগুলো লেখ? উ: ক. ব্যক্তিগত পত্র খ. নিমন্ত্রণ পত্র গ. ব্যবসায়িক পত্র ঘ. আনুষ্ঠানিক পত্র ঙ. সংবাদপত্রে প্রকাশের পত্র চ. অভিনন্দন পত্র। ৯. আনুষ্ঠানিক পত্র কত প্রকার? উ: ২ প্রকার ১০. আবেদন পত্র ও চাকরির দরখাস্ত কোন পত্রের অন্তর্গত? উ: আনুষ্ঠানিক পত্র। ১১. পত্রের প্রধান অংশ কয়টি? উ: ২টি ১২. ‘শিরোনাম’ পত্রের কোথায় থাকে? উ: বাহিরে। ১৩. পত্রগর্ভের অপর নাম কী? উ: অন্তর্গত। ১৪. পত্রের বহির্ভাগ এর অপর নাম কী? উ: শিরোনাম ১৫. পত্রগর্ভের কয়টি অংশ? উ: ৫টি ১৬. মঙ্গলসূচক বাণী পত্রের কোন অংশের অন্তর্গত? উ: পত্রগর্ভের। ১৭. বর্তমানের ব্যক্তিগত পত্রের কোন অংশটি বর্জনীয় বলে গণ্য হচ্ছে? উ: মঙ্গলসূচক শব্দ ১৮. পত্রগর্ভে কার ঠিকানা লিখতে হয়? উ: প্রেরকের। ১৯. ব্যক্তিগত পত্রে পত্রগর্ভের কোথায় ঠিকানা ও তারিখ লিখতে হয়? উ: উপরে ডানে। ২০. পত্রগর্ভের যা লিখা হয় তাকে কী বলে? উ: মূলবক্তব্য। ২১. পত্রগর্ভের ২য় পর্ব কী? উ: সম্ভাষণ। ২২. ‘পাক জনাবেষু’ শব্দটি পত্রে কোন পর্বে আলোচিত হয়? উ: সম্ভাষণ। ২৩. ‘দোয়াবর’ কাদের বোঝাতে লেখা হয়? উ: কণিষ্ঠ জনদের। ২৪. কল্যাণবরেষু কাদের বোঝাতে লেখা হয়? উ: কণিষ্ঠদের। ২৫. বন্ধুদের কী বলে সম্ভাষণ জানানো হয়? উ: প্রিয়। ২৬. সুচারিতাষু কাদের বোঝাতে হয়? উ: সমবয়সী মেয়ে। ২৭. গুরুজণদের বোঝায় এমন কয়েকটি শব্দ লেখ। উ: পাকজনাবেষু, বখেদমবেষু, মোবারক জনাবেষু ইত্যাদি। ২৮. শ্রদ্ধেয় মহিলাদের সম্বোধনে ব্যবহূত একটি শব্দ লেখ। উ: শ্রদ্ধাসম্পাদাসু (স্ত্রী) ২৯. প্রেরকের স্বাক্ষরের আগে শিষ্ঠাচার জ্ঞাতক শব্দসমূহ লেখা হয় কি? উ: হয়। ৩০. প্রাপক বড় হলে প্রেরকের আগে লেখা হয় এমন ২টি শব্দ লেখ। উ: স্নেহের, পাকসার। ৩১. প্রাপকের নামের আগে ‘জনাব’, ‘মহাশয়’ লেখা হয় কেন? উ: প্রাপক যদি অপরিচিত বা অল্প পরিচিত হয়। ৩২. মূলবক্তব্য শুরুর আগে কী জানাতে হয়? উ: যথাযথ কুশলাদি। ৩৩. পত্রগর্ভের সর্বশেষ স্তর কী? উ: পত্র লেখকের স্বাক্ষর। ৩৪. প্রেরক কে? উ: যে পত্র লেখে বা পাঠায়। ৩৫. প্রাপক কে? উ: যে পত্র পায় বা পাবে। ৩৬.ব্যক্তিগত পত্রে ইতির নিচে প্রেরকের সাধারণত কোন্ ধরনের নাম ব্যবহার করা হয়? উ: ডাক নাম। ৩৭. ডাক-টিকেট কোথায় ও কোন দিকে অবস্থিত? উ: শিরোনাম অংশের বা খামের উপরে ডানে। ৩৮. কোথায় প্রাপকের নাম ঠিকানা লিখতে হয়? উ: খামে। ৩৯. বর্তমানে কোন চিঠি ব্যবহূত হয়? উ: সাহিত্যিক চিঠি। ৪০. চিঠি লিখার পদ্ধতি কয়টি? উ: ২টি ৪১. চিঠি লেখার পদ্ধতিগুলোর নাম লেখ? উ: (১) প্রচলিত/ বিট্রিশ পদ্ধতি/ সনাতন পদ্ধতি ও (২) আমেরিকান পদ্ধতি/ আধুনিক পদ্ধতি। ৪২. খামের আকৃতি কত ইঞ্চি হয়? উ: সাধারণত ৫ ইঞ্চি/৩ ইঞ্চি ৪৩. প্রাপকের ঠিকানা কোন দিকে লেখা হয়? উ: ডান দিকে। ৪৪. কোন ভাষায় চিঠি লেখা উত্তম? উ: চলিত ভাষায় ৪৫. পত্র লেখক কখন স্বাক্ষর করে? উ: পত্রের বক্তব্যের শেষে। ৪৬. ‘পত্র’ শব্দটিরর আভিধানিক অর্থ কী? উ: চিহ্ন বা স্বাক্ষর। ৪৭. পত্রের মূল অংশকে কী বলে? উ: গর্ভাংশ বা পত্রগর্ভ।