:হাসিব সাহেব আপনি যে গেল বছর আমার কাছে ক’দিনের কথা বলে আট হাজার টাকা নিলেন তারপর তো আপনার আর খোঁজই নেই।
:দেখুন ইয়ে মানে...ব্যবসার অবস্থা এতো খারাপ যাচ্ছিল যে আপনার সাথে আর দেখা করার সুযোগ পাইনি।
:সে যাই হোক, এখন আমার টাকাটা না হলেই নয়। দেখুন আমি আর অপেক্ষা করতে পারবো না। আমি আপনার তিন হাজার টাকা মাফ করে দিচ্ছি। বাকি পাঁচ হাজার টাকা যে করেই হোক কালকের মধ্যে আমাকে দিয়ে দেবেন।
:ঠিক আছে আপনি যখন তিন হাজার মাফ করে দিলেন তখন আমিই বা পিছিয়ে থাকব কেন? আমিও তিন হাজার টাকা মাফ করে দিলাম। এবার সমানে সমান হয়ে গেল। আর দুই হাজার টাকা আমি এখনই দিয়ে দিচ্ছি!
:সে কি তোমার মেয়েতো আর্টসে পড়ে বলেই জানতাম। কিন্তু তুমি গৃহশিক্ষক চেয়ে যে বিজ্ঞাপন দিয়েছ সেখানে শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে মেডিকেল বা বুয়েটের ছাত্র চেয়েছ কেন?
:আরে আজকাল যেভাবে হরহামেশাই গৃহশিক্ষকের সাথে এই বয়সের মেয়েদের প্রেম হচ্ছে সেখানে শুধু পড়ার বিষয়টা দেখলেই তো আর চলে না, ভবিষ্যতে শিক্ষকের সাথে বিয়ে দিতে হলে পাত্র যেন খারাপ না হয় সেই বিষয়টাও তো একটু মাথায় রাখতে হবে না কি!
চেয়ারম্যান হঠাত্ কারখানা পরিদর্শনে এসে দেখলেন কাজ ফেলে সুপারভাইজার আর শ্রমিকদের অনেকেই দিব্যি দুপুরের ঘুম দিচ্ছে। আর অন্যদিকে বাকি শ্রমিকরাও গল্প-গুজবে ব্যস্ত। এই দেখে চেয়ারম্যান ক্ষেপে গিয়ে কোম্পানি সচিবকে ডেকে সবাইকে বরখাস্ত করতে বললেন। কিন্তু এই শুনে বাধা দিলেন শ্রমিকদের এক নেতা। তিনি বললেন, স্যার সবাই রাতে ওভারটাইম করে ক্লান্ত বলেই তো এখন ঘুমাচ্ছে। আর এখন যদি একটু বিশ্রাম না নেয় তাহলে রাতে আবার ওভারটাইম করবে কী করে বলুন!
