পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে জেলার গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা গ্রামে গত শুক্রবার রাতে আওয়ামী লীগ নেতা কামাল ফকির ও যুবলীগ নেতা ফরিদ ও আজম বেপারীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষে খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কামাল ফকিরের বাম হাতের রগ কর্তনসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। এ সময় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ডে একাধিক বোমা বিস্ফোরিত হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ এ ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় গৌরনদী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কামাল ফকিরের ভাইয়ের ছেলে বাবু ফকির প্রতিবেশী আজিম বেপারীর কাছে গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাওনা টাকা চাইতে যায়। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে আজিমকে মারধর করা হয়। এরপর বাবু ফকিরের চাচা কামাল ফকির রাত ৮টার দিকে ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছলে আজিমের সমর্থকরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ডান হাতের রগ কর্তন করে। এ খবরে ফকির ও বেপারীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা কামাল ফকিরকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ ও অন্যদের গৌরনদী ও কালকিনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অবস্থার অবনতি হলে গত শুক্রবার গভীর রাতে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গৌরনদী থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, তাত্ক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে ইব্রাহিম (২২), মেহেদী বেপারী (১৩), আল হেলাল (১৫), রহমান বেপারী (১৬) ও শাওনকে (১৪) গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কামাল ফকিরের ছেলে শাহরিয়ার সাগীর শনিবার বিকালে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
