তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

আপডেট : ১২ মে ২০১৪, ২০:০৪
প্রশ্ন-২। ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড কী? এ সম্পর্কে বর্ণনা দাও। উত্তর: এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে। এ ট্রান্সমিশন স্পীডকে ব্যান্ড উইড্থ্ বলা হয়। সাধারণত bit per second (bps) দ্বারা Band Width হিসাব করা হয়। অর্থাত্ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সফার হয় তাকে bps বা Band Width বলে। ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীডের উপর ভিত্তি করে ডেটা কমিউনিকেশন গতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. ন্যারো ব্যান্ড, ২. ভয়েস ব্যান্ড ও ৩. ব্রড ব্যান্ড। নিচে এদের সম্পর্কে বর্ণনা দেওয়া হলো: ১. ন্যারো ব্যান্ড: ন্যারো ব্যান্ডে ডেটা স্থানান্তরের গতি সাধারণত 45 bps (bit per second) থেকে সর্বোচ্চ 300 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত ধীরগতি ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এ ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। টেলিগ্রাফিতে তারের ব্যবহার বেশি হওয়ায় ডেটা স্থানান্তরের গতি কম। টেলিগ্রাফিতে ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। ২. ভয়েস ব্যান্ড: ভয়েস ব্যান্ডে ডেটা চলাচলের গতি সাধারণত সর্বনিম্ন 1200 bps থেকে সর্বোচ্চ 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত টেলিফোনে এই ব্যান্ড উইডথ বেশি ব্যবহূত হয়। তবে কম্পিউটার ডেটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এবং কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ভয়েস ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। ৩. ব্রড ব্যান্ড: উচ্চ গতি সম্পন্ন এ ব্যান্ডের ডেটা চলাচলের গতি 1 mbps হতে সর্বোচ্চ কয়েক gbps পর্যন্ত উচ্চ গতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল, Digital Satellite Link ক্যাবল, মডেম, রেডিও লিংকে ব্রড ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। ব্রড ব্যান্ড স্পীডের জন্য বাংলাদেশে DSL ক্যাবল মডেমের দাম কম হওয়ায় ব্রড ব্যান্ড প্রচলনই বেশি।