স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, অবসরে পাঠানো র্যাবের তিন কর্মকর্তাকে আদালতের আদেশ অনুযায়ী গ্রেফতারে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তারা নজরদারীতে রয়েছে। যে কোন সময় তাদের গ্রেফতার করা হবে। সোমবার বিকালে সচিবালয়ে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ এবং জঙ্গিবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধ সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন আইনগত প্রক্রিয়া চালাতে সময় লাগে। আমরা হাইকোর্টের নির্দেশ ফলো করছি। আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন দেশে-আর বিদেশে যেখানেই থাকুক না কেন, আমরা তাকে গ্রেফতারের সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। তকে আমরা ধরবোই। নূর হোসেন কলকতায় অবস্থান করছে—র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসানের এ বক্তব্য সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, র্যাবের কাছে তথ্য থাকতেই পারে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমদ, স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী ও র্যাব মহাপরিচালক মোখলেসুর রহমান।
প্রসঙ্গত, ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার এবং তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইব্রাহিম অপহূত হন। পরদিন ২৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নজরুল ইসলামের স্ত্রী। কাউন্সিলর নূর হোসেনকে প্রধান করে মামলায় আসামি করা হয় মোট ১২ জনকে। এরপর ৩০ এপ্রিল বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ৬ জন এবং ১ মে সকালে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
