প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং গণিত

আপডেট : ১৩ মে ২০১৪, ১৯:৪৭
নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভেড়িবাঁধের ভিতরে বসতভিটা তৈরি করতে হবে সি এম মিরাজুল ইসলাম প্রভাষক ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ জলবায়ু এবং দুর্যোগ প্রশ্ন-৪: বন্যার সময় কীভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো যেতে পারে বলে তুমি মনে কর। অথবা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কী করা উচিত? উত্তর: বন্যা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। উপযুক্ত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে আমরা বন্যার সময় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমাতে পারি। বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে মোকাবেলায় গৃহিত পদক্ষেপগুলি হচ্ছে– ১.নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভেড়িবাঁধের ভিতরে বসতভিটা তৈরি করতে হবে। ২. বাড়ির চারপাশে বাঁশঝাড়, কলাগাছ, ঢোলকলমি ইত্যাদি গাছ লাগাতে হবে। ৩.উঁচু জায়গায় বসতভিটা, গোয়াল ঘর ও হাঁস-মুরগির ঘর তৈরি করতে হবে। ৪. বন্যা শুরু হলে নিয়মিতভাবে পানি বাড়া বা কমা সম্পর্কে খোঁজ খবর রাখতে হবে। ৫. নিরাপদ পানি পান করতে হবে এবং পরিবারের সকল সদস্যকে বিভিন্ন সংক্রামক রোগের টিকা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ৬. বন্যাকালে যাতায়াতের জন্য নৌকা বা কলাগাছের ভেলা ব্যবহার করতে হবে। প্রশ্ন-৫: বন্যার পর তোমার এলাকায় দুর্গত মানুষের সাহায্যে তুমি কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পার? উত্তর: প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বা পর যেকোনো সচেতন মানুষেরই বসে না থেকে মানবতার সেবায় এগিয়ে আসা উচিত। এক্ষেত্রে আমি যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি সেগুলো হলো – ১. আমি আমার বন্ধুদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের উদ্দেশে একটি দল গঠন করতে পারি। ২. আমরা মানুষকে বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে পারি। ৩. সরকারি ও বেরসকারি ত্রাণকার্য যাতে ঠিকমতো হয় আমরা সে শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ করতে পারি। ৪.আমরা বন্যার পরে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তামূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে পারি। ৫. আমরা অসুস্থদের জন্য সেবামূলক কাজ করতে পারি। বন্যার পর মানুষকে খাদ্য, বাসস্থান, বস্ত্র, ঔষধ, টাকা-পয়সা ইত্যাদি দিয়ে সাহায্য করতে পারি। প্রশ্ন-৬: দুর্যোগ মোকাবেলার পাঁচটি উপায় লিখ। অথবা, দুর্যোগের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কমানোর জন্য কী করা উচিত। উত্তর: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবেলা করা যায়। আমার মতে দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করা উচিত। যেমন– দুর্যোগপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে দুর্যোগ সংক্রান্ত পূর্ব পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। দুর্যোগকে প্রশমিত বা প্রতিরোধ করার জন্য বেড়িবাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করতে হবে। জনগণকে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন সভা, সেমিনারের আয়োজন করতে হবে। দুর্যোগকালীন কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য প্রশিক্ষিত কর্মীবাহিনী গঠন করতে হবে। রাস্তাঘাট, যানবাহন, বেতার যন্ত্র ইত্যাদি দুর্যোগের পূর্বে প্রস্তুত রাখা। দুর্যোগ মোকাবেলায় সচেতনতা ও পূর্ব পরিকল্পনা গ্রহণ করলে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কম হয়। যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নোত্তর এ.এইচ.এ.সায়েদুজ্জামান সহকারি শিক্ষক (গণিত ও বিজ্ঞান) উইল্স লিট্ল ফ্লাওয়ার স্কুল এণ্ড কলেজ ঢাকা আজও কিছু যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নোত্তর দেয়া হলো- ২। ২টি খাসি ও ৩টি মুরগির মূল্য ২৮৫০ টাকা। একটি মুরগির মূল্য ১৫০ টাকা । ক) মোট কতটি প্রাণীর মূল্য ২৮৫০ টাকা ? খ) ৩টি মুরগির মূল্য কত ? গ) ২টি খাসির মূল্য কিভাবে নির্ণয় করা যাবে ঘ) ১টি খাসির মূল্য কত ? ঙ) ১টি খাসির ও ১টি মুরগির একত্রে মূল্য কত ? সমাধান ঃ ক) মোট (২+৩)টি বা ৫টি প্রাণীর মূল্য ২৮৫০ টাকা। খ) ১টি মুরগির মূল্য ১৫০ টাকা ৩টি মুরগির মূল্য=( ১৫০×৩) টাকা = ৪৫০ টাকা গ) ২টি খাসি ও ৩টি মুরগির মূল্য হতে ৩টি মুরগির মূল্য বিয়োগ করে ২টি খাসির মূল্য পাওয়া যায়। ঘ) ২টি খাসি ও ৩টি মুরগির মূল্য = ২৮৫০ টাকা ৩টি মুরগির মূল্য = ৪৫০ টাকা ২টি খাসি মূল্য = ২৪০০ টাকা ১টি খাসির মূল্যর (২৪০০÷২) টাকা = ১২০০ টাকা ঙ) ১টি খাসির ও ১টি মুরগির একত্রে মূল্য = (১২০০+১৫০) টাকা = ১৩৫০ টাকা ৩। সাফায়ান ১০ টি বিষয়ে গড়ে ৭০ নম্বর পেল। আর ইয়াছিন ১০ টি বিষয়ে মধ্যে ৬ টিতে গড়ে ৮০ ও ৪ টিতে গড়ে ৫০ নম্বর পেল। ক) ৬ ও ৪ গুণ করে গুণ্য, গুণক ও গুণফল চিহ্নিত কর। খ) সাফায়ান মোট কত নম্বর পেল। গ) ইয়াছিন ৬ টি বিষয়ে মোট কত নম্বর পেল। ঘ) ইয়াছিন ১০ টি বিষয়ে মোট কত নম্বর পেল। ঙ) দুইজনের মধ্যে কে কত নম্বর বেশি পেল। সমাধান ঃ ক) ৬×৪ = ২৪ এখানে ৬ গুন্য, ৪ গুনক ও ২৪ গুনফল। খ) সাফায়ান ১০টি বিষয়ে গড়ে পেল =৭০ নম্বর ,, ১০ ,, ,, মোট ,, = (৭০×১০ ) নম্বর = ৭০০ নম্বর গ) ইয়াছিন ৬টি বিষয়ে গড়ে পেল = ৮০ নম্বর। ইয়াছিন ৬ ,, ,, মোট ,,= (৮০×৬) নম্বর = ৪৮০ নম্বর ঘ) ইয়াছিন ৪টি বিষয়ে গড়ে পেল =৫০ নম্বর। ইয়াছিন ৪ টি ,, মোট ,, =(৫০×৪) নম্বর = ২০০ নম্বর ইয়াছিন ১০ টি বিষয়ে মোট পেল (৪৮০+২০০) নম্বর = ৬৮০ নম্বর ঙ) সাফায়ান পেল ৭০০ নম্বর। ইয়াছিন পেল ৬৮০ নম্বর সাফায়ান বেশি পেল (৭০০-৬৮০) নম্বর = ২০ নম্বর ১। চারটি সংখ্যার মধ্যে প্রথম দুইটি সংখ্যা গুনফল ৬২৭২ এবং শেষ দুইটি সংখ্যা গুনফল ২৫৫০। আবার, তৃতীয় সংখ্যাটি প্রথম দুইটি সংখ্যার বিয়েগফলে সমান । ক) তিন অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা কী ? খ) প্রথম ও শেষ দুইটি সংখ্যার গুনফলের পার্থক্য কত ? গ) প্রথম সংখ্যাটি ৬৪ হলে দ্বিতীয় সংখ্যাটি কত ? ঘ) শেষ সংখ্যাটি কিভাবে পাওয়া যাবে ? ঙ) শেষ সংখ্যাটি কত ? সমাধান ঃ ক) তিন অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯ খ) প্রথম দুইটি সংখ্যার গুনফল ৬২৭২ এবং শেষ দুইটি সংখ্যার গুণফল ২৫৫০। অতএব, প্রথম ও শেষ দুইটি সংখ্যার গুণফলের পার্থক্য = (৬২৭২-২৫৫০) = ৩৭২২ গ) প্রথম দুইটি সংখ্যার গুনফল ৬২৭২ এবং প্রথম সংখ্যা ৬৪ । দ্বিতীয় সংখ্যাটি = সংখ্যাদ্বয়ের গুণফল ÷ প্রথম সংখ্যা = ৬২৭২ ÷৬৪ = ৯৮ ঘ) শেষ দুইটি সংখ্যার গুণফলকে তৃতীয় সংখ্যা দ্বারা ভাগ করে শেষ সংখ্যাটি পাওয়া যাবে। ঙ) প্রথম দুইটি সংখ্যার বিয়োগফল = (৯৮-৬৪) = ৩৪ তৃতীয় সংখ্যাটি = ৩৪ শেষ সংখ্যাটি = শেষ দুইটি সংখ্যার গুণফল ÷ তৃতীয় সংখ্যা = ২৫৫০÷৩৪ =৭৫