রাঙামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ‘স্বপ্ন বিলাস’ নাটিকার মঞ্চায়ন

আপডেট : ১৪ মে ২০১৪, ১৯:৫৬
পার্বত্য এলাকার প্রত্যন্ত গ্রাম শুভলং। যেখানে হেসে খেলে বেড়াত সুন্দরী মেয়ে রাঙাবি ও যুবক সোনাধন। তাদের প্রেমের কথা সকলেই জানে। একসময় তাদের বিয়ে হয়। তারা সুভলং গ্রামের অদূরের পাহাড়ে চাঁদনী রাতে বেড়াতে যায়। যে সময় হঠাত্ ভূমিকম্পের ফলে শুভলং গ্রাম তলিয়ে যায় ও এই শুভলং ঝরনার এক গুহায় তাদের আত্মা বন্দী হয়ে থাকে। এই ধারাবাহিকতা রেখে রাঙামাটি শিল্পকলা একাডেমির অডিটরিয়ামে মঞ্চায়ন করা হলো নাটক ‘স্বপ্ন বিলাস’। রাঙামাটির বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মনোজ বাহাদুরের নাট্যরূপ ও রচনায় এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক বুলবুলের নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত নাটকে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, জেলা শিল্পকলা একাডেমি কালচারাল অফিসার অনুসিনথিয়া চাকমা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তি ও রাঙামাটি সরকারি কলেজের প্রভাষক মহিউদ্দিনসহ শিক্ষার্থী, জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তি ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। ‘স্বপ্ন বিলাস’ নাটকের মঞ্চায়ন করেন, সাবিত্রী চক্রবর্তী (বন্যা), স্নেহাশীষ বড়ুয়া (শরীফ), মাসুদ রানা (রানা), এলিন চাকমা (হিমাদ্রী), এলটি চাকমা (শিউলী), নীতি ভুবন (সুশীল চাকমা), নিরুপম চাকমা (সোনাধন), রুম্পা চাকমা (রাঙাবি), মো. ইদ্রিস (ইদ্রিস), প্রসেনজিত্ (প্রসেনজিত্ দেব)। নাটকে দেখা যায়, ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ে রাঙামাটির কিছু পাহাড়ি ছাত্র-ছাত্রী। তাদের কিছু বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে তারা শুভলং ঝরনায় ক্যাম্প ফায়ার করে ও ঘটনাক্রমে সেই গুহায় বন্দী দুই প্রেমিক আত্মার সাথে তাদের যোগাযোগা হয়। ধর্মীয় সত্কারের অভাবে বন্দী হয়ে থাকা দুই প্রেমিকের অনুরোধে তারা তাদের ধর্মীয়ভাবে সত্কার করে ও তারা মুক্ত হয়ে স্বর্গের পথে চলে যায়।