আইপিও’র নতুন পদ্ধতি খুব শিগগির

আপডেট : ১৪ মে ২০১৪, ২১:২৩
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পরবর্তী কমিশন বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে আইপিওতে (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) আবেদনপত্র ও টাকা জমা নেয়ার নতুন পদ্ধতি। তারপর কোনো কোম্পানি আইপিও’র টাকা সংগ্রহ করলে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হবে নতুন পদ্ধতি। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, আইপিও’র নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অনেকটাই এগিয়ে গেছে। বিএসইসির চাওয়ার প্রেক্ষিতে এ পদ্ধতির পাইলট প্রকল্পে অংশ নিতে আগ্রহী ব্রোকারেজ হাউসের নাম জমা দিয়েছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। প্রস্তাবিত পদ্ধতির বিষয়ে নিজেদের মতামতও দিয়েছে তারা। এসব পর্যালোচনা করে আইপিও’র নতুন পদ্ধতির রূপরেখার খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন পরবর্তী কমিশন বৈঠকেই এ পদ্ধতি অনুমোদন দেয়ার কথা রয়েছে। পাইলট প্রকল্পের জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জের দেয়া নাম থেকে বাছাই করে ১০ থেকে ১২টি ব্রোকারেজ হাউসকে আইপিও’র আবেদন ও টাকা জমা নেয়ার অনুমতি দেয়া হতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটিজ হাউসগুলো প্রাধান্য পাবে। বর্তমান পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে টাকা সংগ্রহে আগ্রহী কোম্পানি কয়েকটি ব্যাংককে তাদের হয়ে আবেদনপত্র ও শেয়ারের টাকা সংগ্রহের দায়িত্ব দেয়। বিনিময়ে তারা কমিশন (জমাকৃত প্রতি ১০০ টাকায় ১০ পয়সা হিসেবে) পায়। প্রস্তাবিত নতুন পদ্ধতিতে ব্যাংকের পরিবর্তে ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট বা ডিপি আবেদনপত্র জমা নেবে। আর শেয়ারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আগে থেকেই জমা থাকবে ডিপির কাছে। লটারিতে কোনো বিনিয়োগকারী কৃতকার্য হলেই ডিপি তার কাছে সংরক্ষিত অর্থ সংশ্লিষ্ট কোম্পানির একাউন্টে জমা করে দেবেন। ফলে অর্থ ফেরতের (রিফান্ড) কোনো জটিলতা থাকবে না। এতে বিনিয়োগকারীদের ঝামেলাও কমবে। আইপিও প্রক্রিয়ার সময়ও কমে আসবে।