এখানে বাঁশির সুর থেমে গেছে প্রবল খরায়,
রাখাল বাঁশিও আজ অভিমানে হয়ে গেছে গুম;
লাঙ্গল জোয়াল ফেলে কৃষকেরা খোঁজে চেনা নদী,
এইতো সে পথ আঁকা যার বুকে দুঃখি পা’র ছাপ।
বন্ধু কবিরা কোথায়? চেয়ে দেখো চোখে নেই ক্ষত,
নেইতো হূদয়ে কোনো বেদনায় ডুবে থাকা নদী;
রঙিন শাড়িতে আঁঁকা প্রদীপও হয়েছে বিলীন,
নিভে গেল ম্লান হলো ফুল সাঁজে সাজানো বাসর।
একাকী পথের ফুল ভুল করে গুম জ্বরে কাঁপে,
শিশুর হাতেও নেই জড়ানো সে পিতার আঙুল;
কিশোর-কিশোরী চুপ থেমে গেছে ঘুড়ির লাটাই,
মায়ের বোনের বুকে হাহাকার হয়ে গেছে চুরি।
চাঁদের হাসিও আজ মেঘে মেঘে হয়েছে আড়াল,
আমার পতাকা ছেড়ে কোন সেই বিষে ভরা নখ?
আমিতো হবোনা কোনো পরাজিত নায়ের নাবিক,
কচুরি-পানার দেহ গুম হয় যার দেহ তলে।
গুম হলো ভালোবাসা গুম হলো জোছনার চাঁদ,
স্বাধীন আমার দেশে ঢাল হবে ‘পাঁজরের সাধ’।
সুরের সাধনা ফিকে তুলিতেও গুম হলো রঙ,
গুম হলো সব আলো নিভে গেলো সব ঝারবাতি;
নির্লিপ্ত জলের চেনা শীতলক্ষ্যা নদীর গহিনে,
এভাবে আমার লেখা কবিতাও গুম হয়ে যায়!
