চলতি অর্থবছরে চাহিদার চেয়ে উত্পাদন বাড়বে খাদ্য শস্যের

আপডেট : ১৬ মে ২০১৪, ১৯:৩৩
গত অর্থ বছরের (২০১২-২০১৩) চেয়ে চলতি অর্থবছরে দেশে চাল গমের উত্পাদন ৮ লাখ ১৫ হাজার টন বেশি হবে। এতে দেশের মোট খাদ্য শস্যের চাহিদার চেয়ে উত্পাদন বেশি হবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী গত অর্থবছরে আউশ, আমন ও বোরো মিলিয়ে চাল উত্পাদনের পরিমাণ ছিল ৩ কোটি ৩৮ লাখ ৮৯ হাজার ৬শ’ ৩২ টন। গম উত্পাদন হয়েছিল ৯ লাখ ৯৫ হাজার ৩শ’ ৫৬ টন। চলতি অর্থবছরে (২০১৩-১৪) দেশে ২৩ লাখ ২৬ হাজার টন আউশ ও এক কোটি ৩০ লাখ ২৩ হাজার টন আমন উত্পাদন হয়েছে। এবার সারাদেশে বোরো চাষ হয়েছে ৪৮ লাখ ৩ হাজার হেক্টরে। ইতিমধ্যে ধান কাটা শেষের পথে। এবার বোরো চাষে সেচযন্ত্রে বিদ্যুত্ সরবরাহে তেমন লোডশেডিং ছিল না। আবহাওয়া অনুকুল থাকায় ফলন ভাল হচ্ছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়। এক কোটি ৯০ লাখ টন বোরো চাল উত্পাদন হবে বলে আশা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এ ছাড়াও এ বছর গমের উত্পাদনও ভাল হয়েছে। সাড়ে ১৩ লাখ টন গম উত্পাদন হয়েছে। খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আহম্মেদ হোসেন খান জানান, দৈনিক মাথা পিছু ৫শ’ ৮ গ্রাম হিসাবে বর্তমানে দেশে খাদ্য শস্যের চাহিদা সাড়ে ৩ কোটি টন। এ হিসাব অনুয়ায়ী দেশে প্রায় ৭ লাখ টন খাদ্য শস্য উদ্বৃত্ত হবে। নতুন বোরো চাল বাজারে উঠার পর চালের দাম পড়তির দিকে। দেশের অন্যতম প্রধান চালের মোকাম কুষ্টিয়ার খাজানগর মিল মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মজিদ বাবলু জানান, বুধবার এখানে পাইকারি মিনিকেট প্রতি কেজি ৪০-৪২ টাকা দরে বিক্রি হয়। প্রতি কেজি মিনিকেটের দাম ৫০ টাকা পর্যন্ত চড়েছিল। তিনি জানান, ধান উঠার পরপরই ব্যবসায়ীরা বিপুল পরিমান মজুত করছে। এ কারণে চালের দাম ফের চড়ে যেতে পারে বলে তার আশংকার কথা জানান।