বহুদিন আগের কথা। সে সময় একদিন রাশিয়ার এক সরকারি অফিসের কর্মচারি অফিসের পুরোনো ফাইল ঘাটতে যেয়ে আলমিরায় একটা চেরাগ পেয়ে গেল। আর সেই চেরাগ হাতে নিয়ে দেখতে যেয়েই ঘষা লেগে বেরিয়ে এলো এক দৈত্য। দৈত্য বেরিয়েই জানতে চাইলো মনিবের এমন তিনটি ইচ্ছার কথা যা সে পূরণ করতে পারে। কর্মচারি লোকটি প্রথমেই ভাবলো যে এটা ঠাট্টা না সত্যি তা আগে পরীক্ষা করে দেখা দরকার। তাই সে বললো, ‘আমাকে আগে এক গ্লাস ঠান্ডা লেবুর শরবহ এনে দাও।’ অমনি দৈত্য হাজির করলো চমত্কার এক গ্লাস শরবত। এই দেখে কর্মচারিটি এবার তার দ্বিতীয় ইচ্ছা হিসেবে বললো, ‘আমাকে এখুনি চমত্কার আর নির্জন এমন একটা দ্বীপে নিয়ে যাও যেখানে আমার আশেপাশে সব বিশ্বসুন্দরীরা ঘুরে বেড়াবে।’ দৈত্য তার মনিবের এই হুকুমটিও পালন করলো। এবার তৃতীয় ইচ্ছা পূরণের পালা। সরকারি কর্মচারিটি ভাবলো, দু’টো ইচ্ছাতো এমনিতেই পূরণ হলো। এবার তৃতীয় ইচ্ছাটা এমন হতে হবে যা দিয়ে তার বাকী জীবন আরামে কাটে। তাই অনেক ভেবে চিন্তে সে বলল, ‘তুমি আমাকে এমন একটা ব্যবস্থা করে দাও যাতে আমি কাজ না করেই অর্থ উপার্জন করতে পারি।’ তার এই ইচ্ছার কথা শুনে দৈত্যটি তাকে পুনরায় সরকারি অফিসে ফিরিয়ে আনল।
টকটকে লাল দুই কান নিয়ে এক সর্দারজি গেলেন ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার জানতে চাইলেন—
:সে কি আপনার কানের এই অবস্থা হলো কী করে?
সর্দারজি :কানে গরম ইস্ত্রির ছ্যাকা লেগে।
ডাক্তার :তা কীভাবে হলো?
সর্দারজি :আর বলবেন না আমি যখন কাপড় ইস্ত্রি করছিলাম তখন আমার ছোট ভাই গ্রাম থেকে ফোন করেছিল। আর আমি অন্যমনস্ক থাকায় ফোন কানে না দিয়ে গরম ইস্ত্রিটাই কানে ধরতে গিয়েছিলাম।
ডাক্তার :সে না হয় এক কানের বিষয়টা বুঝলাম, কিন্তু আরেকটা কান পুড়লো কী করে?
সর্দারজি :প্রথমবার কানের যন্ত্রণায় কথা বলতে পারিনি বলে আধঘণ্টা পর যে বুদ্ধুটা আবার ফোন করেছিল!
