সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শার ২ রত্নগর্ভা মাকে সম্মাননা দিয়েছে যশোরের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শেকড়। রত্নগর্ভা মহিয়সী এ মায়েরা হলেন আমেনা বেগম ও আলহাজ্ব ফাতেমা জালাল।
আমেনা বেগম ১৯৩৯ সালে শার্শার ডিহি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি গ্রামের বৈঠকখানায় লেখাপড়া শেষে মাত্র ১৪ বছর বয়সে এয়াকুব আলী লস্কারের সাথে বিয়ের পিড়িতে বসেন। তার প্রথম সন্তান ব্র্যাকের সাবেক আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোহম্মাদ মহিউদ্দীন, দ্বিতীয় সন্তান পল্লী দরিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার মোহম্মাদ শাহাবুদ্দীন, তৃতীয় সন্তান মশিউর নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আনোয়ারা খাতুন, ৪র্থ শাহবাজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সোহরাব হোসেন, ৫ম সন্তান মানিকগঞ্জ ব্র্যাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোহম্মাদ আমিন উদ্দীন, ৬ষ্ঠ সন্তান ফরিদপুর বিএডিসির উপ-সহকারী পরিচালক এম এ জাকের, ৭ম সন্তান কোটচাঁদপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জহির উদ্দীন, ৮ম সন্তান যশোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসের কমিউনিটি হেলথ্ কেয়ার প্রোভাইডার মুসলিমা আক্তার মিলি এবং ৯ম সন্তান ব্রাহ্মণবাড়ীয়া তিতাস গ্যাস ফিল্ডের উপ-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী।
আলহাজ্ব ফাতেমা জালাল- কলারোয়া উপজেলার বোড়ালিয়া গ্রামে ১৯৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ঝিকরগাছা থানার ছোট পোদাউলিয়া গ্রামের শিক্ষক জালাল উদ্দীনের সাথে তার বিবাহ হয়। তার চার সন্তানের প্রথমজন ড. একে এম আক্তারুজ্জামান কবীর, আইনে পিএইচডি ডিগ্রীধারী, দ্বিতীয় সন্তান ব্রনাইয়ের একটি হাসপাতালে কর্মরত ডা: এ বি এম কামরুল হাসান, তৃতীয় সন্তান মতিয়া সুলতানা লিলি শিক্ষিকা এবং চতুর্থ সন্তান শাহানা সুলতানা সরকারি কর্মকর্তা। এ বছর শেকড় বৃহত্তর যশোর জেলায় ৬ জনকে রত্নগর্ভা ‘মা’ সম্মাননা দিয়েছে।
