দুইদেশের সম্পর্ক আরো বহুদূর এগিয়ে যাবে

আপডেট : ১৬ মে ২০১৪, ২৩:৪৩
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরন বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের শেকড় দুই দেশের সমাজ ও সংস্কৃতির মধ্যেই রয়েছে। দুই দেশের জনগণই এ সম্পর্কের নির্ধারক। পারস্পরিক উন্নতি ও শান্তি রক্ষায় ভারত ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত বন্ধু। ভারতে আজ (গতকাল) একটি ঐতিহাসিক দিন। এসময়ে বন্ধুপ্রতিম দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সম্পর্ক আরো গভীর ও সম্প্রসারিত হওয়া প্রয়োজন। ভারতের নির্বাচন ও নতুন গঠিত হতে যাওয়া সরকারকে এ দেশের সরকার ও মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছে। সরকার পরিবর্তনে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে আর পেছনে ফিরে তাকানোর সময় নেই। এ সম্পর্ক আরো বহুদূর এগিয়ে যাবে ও সম্প্রসারিত হবে। গতকাল শুক্রবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির কাউন্সিলে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে পঙ্কজ শরণ বলেন, বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দুই দেশের ও দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বাণিজ্যিক বিনিময়ের মাধ্যমে ভবিষ্যেক এগিয়ে নিতে হবে। আন্তঃধর্মীয় সংলাপ, বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্পর্ককে শক্তিশালী করবে। সম্পর্ক নিবিড় হওয়ার চলমান প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দুই দেশ ও এ অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেতে পারে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ভারত বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম দেশ। মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান এ দেশের জনগণ কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে। দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে মতবিনিময় ও অভিজ্ঞতার বিনিময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরো সুসংহত এবং উন্নত করতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নের জন্যও ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীর বিকল্প নেই। এ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক অনেকগুলো কমন বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত। এ বিষয়গুলোর মিলের উপর ভিত্তি করেই দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে ও যাবে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মৈত্রী দুই দেশের কল্যাণের জন্য আরো গভীরতর করতে হবে। তিনি ভারতের নির্বাচন কমিশন ও নতুন বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির আহবায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আআমস আরেফিন সিদ্দিক। সংগঠনের ত্রি-বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন মৈত্রী সমিতির সদস্য সচিব সুবীর কুশারী।