চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে রেকর্ডসংখ্যক ছাত্রছাত্রী পাস করেছে। সেইসঙ্গে বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও। তবে সামান্য কমেছে মোট পাসের হার।
এবার এই বোর্ড থেকে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৮৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯২ দশমিক ১৯ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থী। স্মরণকালের মধ্যে এটিই যশোর বোর্ডের শ্রেষ্ঠ ফলাফল।
যশোর বোর্ডে যুগপত্ শীর্ষে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ও খুলনা মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল
যশোর শিক্ষা বোর্ডের সেরা ২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানে ফের উঠে এসেছে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ। গত বছর খুলনা জিলা স্কুলের কাছে তারা শীর্ষস্থান হারিয়েছিল। তবে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের সঙ্গে যুগপত্ভাবে শীর্ষ হয়েছে খুলনা মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল। দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই অর্জিত পয়েন্ট ৯১। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ৫২ জন শিক্ষার্থী ও খুলনা মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুলের ৫৯ শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।
গত বছর ৪র্থ স্থানে থাকা খুলনার সরকারি করোনেশন বালিকা বিদ্যালয় এবার ২য় স্থানে উঠে এসেছে। এই স্কুলের ৩১৮ জন ছাত্রীর মধ্যে ৩১৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬৭ জন।
গত বছর শীর্ষে থাকলেও এবার ৩ নম্বরে নেমে গেছে খুলনা জিলা স্কুল। খুলনা জিলা স্কুলের ৪৩০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪২৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩১০ জন। ৪র্থ স্থানের অধিকারী যশোর পুলিশ লাইন স্কুলের ৮৯ জন শিক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮২ জন। ৫ম কুষ্টিয়া জিলা স্কুল ২৯৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২ জন ছাড়া সবাই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২২ জন। ৬ষ্ঠ খুলনার ফুলতলা ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক হাইস্কুল। স্কুলটির ৫২ জন শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪২ জন। ৭ম মেহেরপুরের গাংনীর সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানের ৮৫ শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯ জন। ৮ম স্থানের অধিকারী যশোর জিলা স্কুলের ২২৪ জন শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৩ জন। খুলনা পাবলিক কলেজ রয়েছে ৯ম স্থানে। এর ১৮৫ শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৬ জন। আর ১০ম স্থানে রয়েছে যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়। এর ২৩৩ ছাত্রীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৪ জন।
