নির্জনতাপ্রিয় শিল্পী তিনি। আশির দশকের শিল্পী হলেও নিভৃতচারী। হাল আমলের শিল্পরসিকদের কাছে খুব একটা পরিচিত নন। কিন্তু যারা বাংলাদেশের চিত্রকলার খুব নিবিষ্ট দর্শক তাদের কাছে শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত নাম শিল্পী ইসমিকার উদ্দিন।
তার শিল্পী জীবনে আর্শীবাদ হিসেবে এসেছে আমাদের বরেণ্য শিল্পী রফিকুন নবীর স্নেহ। রফিকুন নবী অনেক সময় বলেছেনও ইসমিকার তার প্রিয় ছাত্রদের অন্যতম। ইসমিকারের কাজেও আমরা বাংলাদেশের গুণী অগ্রজদের ছাপ দেখতে পাই। ড্রইং, পেইনটিং সবক্ষেত্রেই যেন কামরুল, সুলতান, বাসেতের শিল্পধারার ছাপ। জয়নুল, কামরুল অবশ্যই একটি ধারা এবং সেই ধারাকে অনুসরণ করে এগিয়ে যাওয়া মোটেও দোষের কিছু না। বরং ইসমিকার আমাদের কাছে এক বর্ণিল যুগের কথা নিয়ে এসেছেন, সেই সব কথাই আমরা দেখতে পাবো তার এই প্রদর্শনী ‘বর্ণিল পান্ডুলিপিতে’। তিনি খ্যাতি পেয়েছেন একজন উজ্জ্বল নকশাবিদ ও সঙ্গীত শিল্পী হিসেবেও।
বর্ণিল পান্ডুলিপি ইসমিকার উদ্দিন আহমেদের দ্বিতীয় একক প্রদর্শনী। গতকাল ধানমন্ডির গ্যালারি শিল্পাঙ্গনে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন শিল্পী রফিকুন নবী। বক্তব্য রাখেন চিত্র সমালোচক মঈনুদ্দিন খালেদ। সভাপতিত্ব করেন স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইন। প্রদর্শনীতে মোট ৪৪ টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনী চলবে ৩০ মে পর্যন্ত। উন্মুক্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা।
ফজল শাহাবুদ্দীনকে স্মরণ
আলোচনা, পাঠ ও কবিকে নিবেদিত কবিতাপাঠের মধ্য দিয়ে কবি ফজল শাহাবুদ্দীনকে স্মরণ করেছে ফজল শাহাবুদ্দীন স্মরণসভা উদযাপন কমিটি। শনিবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। প্রয়াত কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বক্তব্য রাখেন কবি আল মাহমুদ, প্রফেসর ড. মাহমুদ শাহ কোরেশী, কবি ও গীতিকার কেজি মোস্তফা, কবি আল মুজাহিদী, সরদার আবদুস সাত্তার, চলচ্চিত্র গবেষক ড. অনুপম হায়াত্, কবি এরশাদ মজুমদার, কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ, কথাশিল্পী আতা সরকার, কবি আব্দুল হাই শিকদার, কবি পত্নী আজমেরী শাহাবুদ্দীন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, তার লেখা দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিকতায় পৌঁছে, কিন্তু জীবদ্দশায় কবি ফজল শাহাবুদ্দীনের সঠিক মূল্যায়ন করা হয় নি। বিভাজিত একটা চক্র তাকে সমসময় একটা বিভাজিত স্থানে রেখে বারবার অবমূল্যায়ন করেছে। আজঅবধি সে স্থান থেকে বের হতে পারেন নি তারা।
