প্রায় দুই বছর চলে গেলেও খোঁজ মিলেনি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পশ্চিম সহদেবপুর গ্রামের মুকসুদ আলীর। তাকে জীবিত পাওয়া যাবে কি-না তা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবার।
পারিবারিক সূত্র জানায়, মুকসুদ আলী ২০১২ সালের ২৭ জুন কচুয়া বাজারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। কিছুদিন পর ৩ জুলাই মুকসুদ আলীর ভাই বোরহান উদ্দিনের মোবাইলে একজন কল করে বলেন, ‘তোর ভাইকে নিতে হলে ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জোগাড় করে রাখবি’। ওই মোবাইল নম্বরটি হচ্ছে-০১৮৪৫০৩০৭৯১। এ ঘটনায় ওই দিনই কচুয়া থানায় জিডি করা হয়। জিডির সূত্র ধরে পুলিশ নিখোঁজ মুকসুদ আলীর সন্ধান করলেও গতকাল পর্যন্ত তার সন্ধান মেলেনি।
এদিকে চলতি বছরের ১ এপ্রিল সকালে সহদেবপুর গ্রামের মৃত-জব্বর আলীর পুত্র শাহজাহান (৪৫) মুকসুদ আলীর স্ত্রী খোশনেহার ও তার ভাই মোখলেছুর রহমান ও বোরহান উদ্দিনকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘মুকসুদকে অপহরণ করে হত্যা করেছি। বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোদেরকেও একই পরিণতি করবো।’ এ ঘটনায় খোশনেহার শাহজাহানের বিরুদ্ধে চাঁদপুরের জুুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে গত ৭ এপ্রিল একটি অভিযোগ দাখিল করেন। আদালত অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে গণ্য করে তদন্ত কার্যক্রম চালানোর জন্য কচুয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দিলে গত ১৩ এপ্রিল একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় খোশনেহার উল্লেখ করেন, সম্পত্তি নিয়ে শাহজাহান ও আমাদের সাথে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। শাহজাহানই আমার স্বামীকে অপহরণ করে হত্যা করেছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। মামলাটির তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কচুয়া থানার এসআই লুত্ফুর রহমান।
