বিনিয়োগ ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদার হবে

আপডেট : ১৮ মে ২০১৪, ২৩:১৩
মার্কিন কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানার নিরাপত্তা এবং শ্রমিকদের বেতন কাঠামো পরিবর্তনে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেছেন, ব্যবসা, বিনিয়োগ, ভ্রমণ এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে কাজ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এসময় অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ সাফল্যের জন্য গ্রেস মেং স্থায়ী প্রতিনিধিকে স্বাগত জানান। ঢাকায় প্রাপ্ত খবরে বলা হয়, ড. মোমেন বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ এক সময় ছিল তলাবিহীন ঝুড়ি কিন্তু আজ তা পরিবর্তিত হয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশ্বের মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। দারিদ্র্যসীমা অর্ধেকেরও নীচে নামিয়ে এনেছে এবং মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনের পথে রয়েছে। বাংলাদেশের দরিদ্র মহিলাদের সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত বিনাশুল্কে পণ্য রপ্তানির সুযোগ দেয়া। ২ বা ৩ বছরের জন্য হলেও এ সুযোগ পেলে বাংলাদেশি গার্মেন্টস মালিকেরা শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্র আরো বেশি নিরাপত্তা দিতে পারতো। এএসময় গ্রেস মেং বলেন, তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে কেন ১৬ শতাংশ হারে শুল্ককর দিতে হচ্ছে সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। বাংলাদেশের উন্নয়নের স্বার্থে এ ধরনের বৈঠক অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। এ সময় ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্যা এফেয়ার্স মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত উপস্থিত ছিলেন।