আদালত অবমাননার অভিযোগে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এটিএম শামসুল হুদাকে তলব করেছে হাইকোর্ট। আগামী ৩ জুন সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে তাকে আদালত অবমাননার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক এবং বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চ রবিবার এই আদেশ দেন। এছাড়া আদালত অবমাননার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে শামসুল হুদাসহ স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের আইজি, ডিএমপি কমিশনার, ঢাকার জেলা প্রশাসক এবং গুলশান থানার ওসিকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শনিবার সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) উদ্যোগে রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার-ইনে ‘রাজনৈতিক দলসমূহ এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্র’ শীর্ষক সেমিনারে ড. হুদা বলেন, “নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্মকমিশন, বিচার বিভাগসহ সব সাংবিধানিক সংস্থা রাজনীতিকরণ হয়ে গেছে। এসব জায়গায় অযোগ্য লোকরা গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। দেশে বর্তমানে কোনো আইনের শাসন নেই। এই পরিস্থিতি নূর হোসেনের মতো চরিত্রের উত্থান ঘটাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সংস্কারে নিজেরা কোনো পদক্ষেপ নেবে না। এজন্য সংস্কার আনতে বাইরে থেকে অবিরত চাপ দিতে হবে।” তাকে উদ্ধৃত করে ‘নো রুল অব ল’ শীর্ষক শিরোনামে এই প্রতিবেদন ইংরেজী দৈনিক ডেইলী স্টারে প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট রুল জারি করে। বিগত সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন হুদা।
