এমভি মিরাজ-৪ দুর্ঘটনার চার দিন পর রবিবার গভীর রাতে মামলা হয়েছে। গজারিয়া থানার এস আই হায়দার হোসেন আকন্দ বাদী হয়ে বেপরোয়া নৌযান চালিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী ও মাল বোঝাইয়ের ফলে অবহেলাজনিত কাজের দরুন প্রাণহানীসহ জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধনের অভিযোগে এই মামলা দায়ের করেন। লঞ্চের মালিক খন্দকার আনোয়ার হোসেনসহ ৭ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করেন তিনি। অপর আসামিরা হলেন, মাস্টার রফিকুল ইসলাম, সারেং সামছুদ্দিন, সুকানী মিন্টু, কয়েলম্যান শহীদ, টিকেট মাস্টার দুলাল, কেবিন বয় নুরুল ইসলাম। এসব তথ্য দিয়ে গজারিয়া থানার ওসি মো ফেরদৌস হোসেন জানান, তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় গজারিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ মামলা দায়ের না করায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেন।
বিআইডব্লিউটিএর’ চেয়ারম্যান ড. শামসুদ্দোহা খন্দকার জানান, থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। একই সাথে উদ্ধারকৃত লঞ্চটিও সিজ করা হবে।
এই নিয়ে মেঘনায় লঞ্চ দুর্ঘটনায় উদ্ধারকৃত লাশের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৬। এদিকে তদন্ত কমিটি রবিবার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কোস্টাগার্ড ও পুলিশ নদীতে এখনও লাশের সন্ধান চালাচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার দৌলতপুরের কাছে ঝড়ের কবলে পড়ে যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি মিরাজ-৪ দুই শতাধিক যাত্রী নিয়ে মেঘনায় ডুবে যায়।
