জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

নবীনদের আনন্দের দিন

আপডেট : ২০ মে ২০১৪, ২০:২১
দেশে হাতে গোনা যে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে তার মধ্যে অন্যতম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। আর এ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া তো সোনার হরিণ! স্বপ্নের এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে গত ২৮ এপ্রিল ক্লাস করতে এসে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীরা। গত মঙ্গলবার নবীন এ শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। প্রবেশিকা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে তাদেরকে বরণ করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম। স্বপ্নের এ ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন অর্থনীতি বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্র নাজমুল হোসাইন (নয়ন)। তিনি বলেন, আমি যখন নবম শ্রেণিতে পড়তাম তখন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পেরে নিজেকে বড় গর্বিত মনে হচ্ছে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্রী শারমিন ইয়াসমিন বলেন, আমি খুব ছোট থেকেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আশা করতাম। আমি কখনো কল্পনা করি না যে আমি মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবো। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ শিক্ষকদের আন্তরিকতা বড় ভাই-বোনদের স্নেহ সব মিলিয়ে আমার কাছে স্বপ্নের মতই মনে হচ্ছে । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপাচার্য ও বর্তমান বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির বলেন, বিশ্বসমাজের বিদ্যমান সকল অন্ধকার বন্ধ দুয়ার তোমাদেরকে খুলতে হবে। আপন আপন প্রতিভা, জাদুকরি শক্তি, সামাজিক ও রাষ্টীয় যাবতীয় সমস্যা নিরসনে তোমাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ রবি ঠাকুরের একটি কবিতার কয়েক লাইন উল্লেখ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপচার্য অধ্যাপক ড.ফারজানা ইসলাম বলেন, মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনে জন্য এই গানতো তরুণেরই গান। এই গান কেবল তোমাদের কণ্ঠে নয়, প্রাণে ছড়িয়ে পড়ুক, সঞ্চারিত হোক তোমাদের বোধের গভীর প্রদেশে। সবুজ ক্যাম্পাস, প্রাকৃতিক জলাশয়ের অপার সৌন্দর্য, নানান জাতের বিচিত্র ফল-ফুল ও বনজবৃক্ষের শোভায় চোখ জুড়িয়ে যায়। এখানে পূর্ণিমার ভাষা স্বতন্ত্র।