নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পরিবেশবান্ধব অর্থায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় আরো ২৬টি পণ্য যুক্ত হয়েছে। এর আগে শুধু ১৮টি পণ্যে পুনঃঅর্থয়নের এ সুবিধা পেত। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণ ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনায় প্রচলিত ১৮টি পণ্যের পাশাপাশি আরও ২৬টি পণ্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতাভুক্ত করা হলো। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি বা সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিকল্প জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্যের সর্বোচ্চ ঋণসীমা ঠিক করে দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী, নতুন যুক্ত হওয়া বৃহত্ আকারের বায়োগ্যাস প্লান্টে দুই কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা নিতে পারবেন উদ্যোক্তারা। একইভাবে পোল্ট্রি ও ডেইরি ভিত্তিক বৃহত্ আকারের বায়োগ্যাস প্লান্টে দুই কোটি টাকা, এক মেগাওয়াট ও তার বেশি ক্ষমতার সোলার প্লান্ট স্থাপনে ৩০ কোটি টাকা, সোলার কুকার এসেম্বলি প্লান্টে দুই কোটি টাকা, সোলার ওয়াটার হিটার এসেম্বলি প্লান্টে দুই কোটি টাকা, সোলার এয়ার হিটার অ্যান্ড কুলিং সিস্টেম এসেম্বলি প্লান্টে তিন কোটি টাকা পর্যন্ত নেয়া যাবে।
এছাড়া সৌরশক্তিচালিত কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনে আট কোটি টাকা, বায়ুশক্তিচালিত বিদ্যুত্ উত্পাদন প্লান্টে পাঁচ কোটি টাকা, শিল্প কারখানায় জ্বালানি সাশ্রয়ী লাইটিং সিস্টেম, দক্ষ ইলেকট্রনিক সামগ্রী, জ্বালানি দক্ষ বয়লার প্রভৃতি দ্বারা অদক্ষ সামগ্রী প্রতিস্থাপনে তিন কোটি টাকা, বিদ্যুত্ সাশ্রয়ের জন্য অটো সেন্সরযুক্ত পাওয়ার সুইচ এসেম্বলি প্লান্ট নেয়া যাবে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত, জ্বালানি দক্ষ উন্নত কুক স্টোভ প্লান্টে দুই কোটি টাকা ও এলইডি বাল্ব বা টিউব লাইট এসেম্বলি প্লান্টে তিন কোটি টাকা। গ্রাহকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে ওই প্রজ্ঞাপনে।
