আশা নিরাশার ভেলা

আপডেট : ২১ মে ২০১৪, ২০:০৬
পদ্মা পাড়ের জেলেদের জীবন কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত হলো ঈদের টেলিছবি ‘আশা নিরাশার ভেলা’। এই টেলিছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী ও লাক্সতারকা প্রসূন। সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জের শ্রী নগরে পদ্মার পাড়ে জেলে পাড়ার বিভিন্ন লোকেশনে এই টেলিছবির শুটিং হয়েছে। এর লোকেশন ঘুরে এসে লিখেছেন খালেদ আহমেদ অভাব আর দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাপন নিয়ে নির্মিত হলো ঈদের টেলিছবি ‘আশা নিরাশার ভেলা’। এতে প্রথমবারের মতো জেলে চরিত্রে অভিনয় করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। এখানে চঞ্চলের স্ত্রীর ভূমিকায় কাজ করেছেন লাক্স তারকা প্রসূন আজাদ। জেলে সম্প্রদায়ের নারী চরিত্রে এটা প্রসূনেরও প্রথম কাজ। আলী সুজনের রচনা এবং আলী সুজন ও আব্দুল্লাহ আকন্দ মানিকের যৌথ পরিচালনার এই টেলিছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন লুত্ফর রহমান জর্জ, মুনিরা মিঠু, এহসানুল হক মিনু, সফিক খান দিলু, বাদল, আবিদ রেহান, লিজা, সুমন আহমেদ বাবু, পায়েল, মুমেন, মমর রুবেল, মঞ্জুরুল সুমন প্রমুখ। সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জের শ্রী নগরে পদ্মার পাড়ে জেলে পাড়ার বিভিন্ন লোকেশনে টেলিছবিটির শুটিং সম্পন্ন হয়। এ টেলিছবিতে কাজ করা প্রসঙ্গে চঞ্চল বলেন, ‘গল্পটি অসাধারণ। কাজ করতে গিয়ে নতুনত্ব পেয়েছি। পরিচালকদ্বয় অনেক যত্ন নিয়ে টেলিফিল্মটি নির্মাণ করেছেন। আশা করছি দর্শকেরা আগামী ঈদে ভালো একটি টেলিছবি উপভোগ করবেন।’ এ টেলিছবিতে কাজের অভিজ্ঞতায় প্রসূন বলেন, ‘চঞ্চল ভাইয়ের সাথে কাজ করাটা আমার কাছে বরাবরই অনেক আনন্দের আর অনুপ্রেরণার। কো-আর্টিস্ট হিসেবে তিনি অনেক হেল্পফুল। অনেক কিছু শেখা যায় তার কাছ থেকে। এ টেলিছবি দিয়েই কোনো জেলে নারীর চরিত্রে আমি প্রথম কাজ করলাম। কেমন হয় না হয় এই নিয়ে নার্ভাস ছিলাম। চঞ্চল ভাই সে নার্ভাসনেস দূর করে দিয়েছেন। এছাড়া পরিচালকদ্বয়ও খুব আন্তরিক ছিলেন কাজের প্রতি। তাদের পেশাদারিত্বের মনোভাব আমার ভালো লেগেছে। আর গল্পের কথা বললে শুধু বলব, ‘নাটক-টেলিফিল্মে জোর করে হাসানোর এই সময়ে একেবারেই ভিন্ন রকম গল্প নিয়ে হাজির হচ্ছে ‘আশা নিরাশার ভেলা’। মনে দাগ কাটার মতো কাহিনী এটা। আমার বিশ্বাস দর্শক মুগ্ধ হবেন।’ আসছে ঈদে ‘আশা নিরাশার ভেলা’ টেলিছবিটি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচার করা হবে।