অল্প কিছুদিন আগে জিটিভিতে শুরু হয়েছে নতুন হিন্দি সিরিয়াল ‘কুমকুম ভাগ্য।’ মাতৃতান্ত্রিক এক পাঞ্জাবি পরিবার প্রধান সারলা অরোরা এবং তার দুই কন্যা প্রজ্ঞা ও বুলবুলকে নিয়ে সিরিয়ালটির গল্প আবর্তিত হচ্ছে। সারলার একটি ম্যারেজ হল রয়েছে, যার নাম কুমকুম ভাগ্য। মূলত এই ম্যারেজ হলের উপার্জনে তাদের সংসার চলে। সারলার দুই মেয়ে প্রজ্ঞা ও বুলবুল সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী স্বভাবের। এখনও তাদের বিয়েশাদি হয়নি। বড় মেয়ে প্রজ্ঞা বাস্তববাদী, পরিশ্রমী এবং সংসারের প্রতি দায়িত্বশীল। পড়াশোনা শেষ করতে না পারলেও মাকে সহায়তা করতে একটি কলেজে চাকরি নেয় সে। ম্যারিজ হলের উপার্জনে সংসার ঠিকমতো চালানো সম্ভব নয় একা মায়ের পক্ষে, তাকে সহায়তা করতেই প্রজ্ঞা সাধ্যমতো চেষ্টা করে। ছোট মেয়ে বুলবুল কিছুটা উড়নচণ্ডী টাইপের। স্মার্ট, স্টাইলিশ, প্রাণখোলা হাসিখুশি স্বভাবের মেয়েটি অনেক কিছুরই স্বপ্ন দেখে। কিন্তু তার সব স্বপ্ন বাস্তবে রূপলাভ করে না। তারপরেও স্বপ্নের ঘোরে বুলবুলের বেশির ভাগ সময় কেটে যায়। সংসারের কোনো কাজে ভূমিকা রাখে না সে। প্রজ্ঞা ও বুলবুল—বিপরীতমুখী স্বভাব চরিত্রের দুই বোনের প্রাত্যহিক জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে আবর্তিত এই সিরিয়ালে আরও আছে রকস্টার অভি এবং কলেজের প্রফেসর সুরেশ। রকস্টার অভির কাছে অর্থ-বিত্ত অর্জনটাই মুখ্য ব্যাপার। তার কাছে প্রেম-ভালোবাসার কোনো মূল্য নেই। কলেজ শিক্ষক সুরেশ প্রজ্ঞা—বুলবুলদের প্রতিবেশী। প্রজ্ঞা তার সঙ্গেই কলেজে চাকরি করে। প্রজ্ঞার সঙ্গে সুরেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। এক সময় সুরেশ আর্মি অফিসার হিসেবে কাজ করলেও তার সব প্রিয়জন এক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায়। সেই থেকে কলেজ শিক্ষক হিসেবে কাজ করছে সে। একটি পরিবার এবং পরিবারের লোকজনদের প্রাত্যহিক জীবনের গল্প তুলে ধরার সুন্দর প্রচেষ্টা রয়েছে ‘কুমকুম ভাগ্য’ সিরিয়ালে। এখানে দুই বোন প্রজ্ঞা ও বুলবুল চরিত্রে রূপদান করেছেন যথাক্রমে স্মৃতি ঝা ও মৃণাল ঠাকুর। তাদের মা সারলা অরোরা চরিত্রে অভিনয় করছেন সুপ্রিয় শুক্লা। এ ছাড়া আরও আছেন সাব্বির আহলুওয়ালা, ফয়সাল রশিদ, আরজিত তানেজা, মধু রাজা প্রমুখ। একতা কাপুর ও শোভা কাপুরের বিখ্যাত ব্যানার বালাজি টেলিফিল্মস প্রযোজিত ‘কুমকুম ভাগ্য’ সিরিয়ালটি প্রতি সোম থেকে শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টায় জিটিভিতে দেখানো হয়।
