বিজিবি ৩ জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুর রাজ্জাক তরফদারের অপসারণসহ তিন দফা দাবিতে বুধবারও বিক্ষোভ-সমাবেশ অব্যাহত থাকলেও স্থানীয় মাদ্রাসায় বুখারী শরীফ খতম কর্মসূচির কারণে তৃতীয় দিনের হরতাল কর্মসূচি স্থগিত রেখেছেন আন্দোলনকারিরা। তারা বলছেন, তিন দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তবে বিজিবি’র দাবি অযৌতিক আন্দোলন করছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের কারণে গত ১৩ মে থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও শুধুমাত্র পাসপোর্টধারীরা বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যাতায়াত করছেন। জনসমাগমমুখর হিলি স্থলবন্দর এখন শুনশান জনশূন্য হয়ে পড়েছে। নেই কুলি-শ্রমিকদের চেচামেচি। অলস সময় কাটছে পুলিশের ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের। বেকার হয়ে পড়েছেন স্থলবন্দরের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ৩ সহস্রাধিক বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রমিক। পানামা পোর্টে আটকা পড়েছে ভারত থেকে পণ্য নিয়ে আসা শতাধিক ভারতীয় ট্রাক। তেমনি পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারত সীমানায় আটকা পড়েছে দেড় হাজার পণ্য বোঝাই ট্রাক। যেগুলোর মধ্যে কাঁচা পণ্য রয়েছে সেগুলোর বেশির ভাগই গরমে পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন ইন্ডিয়া হিলি এক্সপোর্টার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অশোক মন্ডল।
হিলি স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল কাসেম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান লিটন এবং আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী গ্রুপের আহবায়ক হারুনুর রশিদ বলেন, আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস অফিসের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়ীদের লাগাতার ৯ দিনের আন্দোলনের কারণে প্রতিদিন ১ কোটি টাকা করে ৯ দিনে ৯ কোটি টাকার রাজস্ব লোকসান হয়েছে।
