চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের কাজ যখন দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে ঠিক সে সময় চট্টগ্রামের উন্নয়নবিরোধী একটি মহল এর বিরোধিতার চেষ্টা চালাচ্ছে। এই অপশক্তির ষড়যন্ত্র বানচাল করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নে চট্টগ্রামের সকল মহলকে সম্মিলিত লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এবারও উন্নয়ন বিরোধীরা জয়ী হতে পারবে না।
গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী তার চশমাহিলস্থ বাসভবনের সমাবেশে এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, দেশের অর্থনীতিতে সিংহভাগ অর্থের যোগানদাতা এই চট্টগ্রাম। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য যখনই কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়, তখনই চট্টগ্রাম বিদ্বেষী একটি মহল তার বিরোধিতায় উঠেপড়ে লাগে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই ঐতিহাসিক উদ্যোগের সাথে চট্টগ্রামের আপামর জনসাধারণের সংহতি প্রকাশের জন্য শিগগির লালদীঘির ময়দানে আয়োজন করা হবে বিশাল জনসভা।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ারুল আজিম আরিফ, উপ-উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. বেণু কুমার দে, চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুণ, জাতীয় পার্টি নেতা সোলায়মান আলম শেঠ, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ নেতা ডা. একিউএম সিরাজুল ইসলাম, সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র হাসান মাহমুদ হাসনি, বিএমএ তথ্য সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ সেলিম, বিএমএ’র সাবেক সভাপতি ডা. শেখ শফিউল আজম, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল পাশা, ডা. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজকে শুধু স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেটি সরকারি হাসপাতাল হিসেবেই থাকবে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আগামী জুন থেকে চালু হলে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৪ কোটি মানুষ উপকৃত হবে।
