তাহিরপুরে তিন শুল্ক স্টেশন দিয়ে কয়লা আমদানি বন্ধ

আপডেট : ২১ মে ২০১৪, ২৩:৫৩
জেলার তাহিরপুর উপজেলার বড়ছড়া, চারাগাঁও, বাগলীসহ তিনটি শুল্কস্টেশন দিয়ে ভারত থেকে কয়লা আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। গত ৩ দিন ধরে এই তিন শুল্কস্টেশন দিয়ে ভারত থেকে কয়লা রপ্তানি হচ্ছে না। এ কারণে এই তিন শুল্কস্টেশনের ৭ শতাধিক আমদানিকারকসহ সংশ্লিষ্ট ১০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। বড়ছড়া কাস্টমস অফিসের তত্ত্বাবধায়ক জানান, ২ জুন পর্যন্ত কোন কয়লা রপ্তানি করবেন না ভারতের ব্যবসায়ীরা। এতে ১৫ দিনে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের প্রায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে জানিয়েছেন কয়লা আমদানিকারকরা। বড়ছড়া কাস্টমস অফিসের একজন কর্মকর্তা জানান, ভারতের উচ্চ আদালতে একটি পরিবেশবাদী সংগঠন কয়লা উত্তোলন প্রক্রিয়া পরিবর্তনের দাবিতে একটি মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, কোয়ারি থেকে অপরিকল্পিতভাবে কয়লা উত্তোলনের সময় শ্রমিকরা পাহাড় ধসের কবলে পড়ে মারা যায়। এভাবে কয়লা উত্তোলন করায় হাজার হাজার শ্রমিকের জীবন হুমকির মুখে পড়ছে। উচ্চ আদালত পরিবেশ নষ্ট না করে ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রক্রিয়ায় কয়লা উত্তোলনের পক্ষে রায় প্রদান করেন। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে ভারতের কয়লা রপ্তানিকারকরা দিল্লির উচ্চ আদালতে আপিল করেন। গত সোমবার আপীলের প্রথম দফা শুনানি হয় ও আগামী ২ জুন আবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছে আদালত। এই আপীলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভারতের রপ্তানিকারকরা ঐ তিন শুল্কস্টেশন দিয়ে কয়লা রপ্তানি করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি খায়রুল হুদা চপল জানান, ভারতের পরিবেশবাদী আন্দোলনকারীরা কয়লা উত্তোলনের বিষয়ে উচ্চ আদালত থেকে রায় পেয়েছেন। পরে রায়ের বিরুদ্ধে আপীল হয়েছে। এই জটিলতায় কয়লা উত্তোলন বন্ধ থাকায়, কয়লা রপ্তানি বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা।’