‘নদী’ নাম, ছোট্ট এই শব্দটাতে জানি না কীভাবে
কেন যেন লুকিয়েচুরিয়ে আছে সুগভীর
উষ্ণ ঘন মায়া ও মমতা
আবেগে বিহ্বল বিদ্ধ ভালোবাসা, চোরাটান, মাদকতা
আসক্তি ও আলেয়াপ্রতিম ঘোর
বাত্সল্যের উপচে পড়া অভিজ্ঞান অফুরন্ত মধু...
‘নদী’ এই আশ্চর্যমধুর অন্ধ বিবসনা শব্দবন্ধে
অতৃিপ্ত তিয়াসা আছে অপূরণ সাধন ভজনও আছে লুক্কায়িত
সমাপন অপেক্ষায় জীবনের বাঞ্ছা ও কামনাগুচ্ছ কী রক্তিম
নিরাপদে ওইখানে সাকিন করেছে
ভুলেও লঙ্ঘনপাপে কোনোরূপ ঠাঁইনাড়া ওকে তোমরা
কিছুতেই কোরো না কোরো না...
দোহাই আল্লাহর, তোমরা এই সুপ্তমিহি নিষেধাজ্ঞা এড়াতে চেয়ো না
‘নদী’ এই রমণীমোহন মগ্ন আলুথালু চিত্রকল্পে ঘূর্ণিছল
স্রোতের স্মৃতিরা কষ্টে রিনিঝিনি নূপুর বাজিয়ে চলে
‘নদী’ শব্দ কবির হূদয়মধ্যে সঞ্জীবনী সুধারসে একাকার
তাত্ক্ষণিক শূন্যতা ও হাহাকার সৃষ্টি করে
কারণ নদীর স্রোত অর্বাচীন ছাইভস্মে লোভে ও লালচে হচ্ছে পদানত
পরাস্ত হয়েছে ক্রমে আত্মাকেও অল্প দামে বিক্রয় করেছে
উদ্ধারের কোনোরূপ আশা ও ভরসা নাই আলামতও নাই
হঠকারী এইসব কাজ কার? অমৃত সন্তান বলে কথিত কলুষেভরা মানুষের।
অন্য কেউ এইমত পাপেদুষ্ট দুষ্কর্মের ভাগীদার হতে চায় না, কিছুতেই নয়...
