কুমিল্লার ১৫টি উপজেলার নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের ৪৫ জনের মধ্যে ৩০ জনই নতুন মুখ নির্বাচিত হয়েছেন।
জেলার ১৫টি উপজেলা চেয়ারম্যানের মধ্যে ১০ জন এবং ৩০ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের মধ্যে ২০ জন নতুন মুখ নির্বাচিত হয়েছেন। নতুন প্রার্থীদের কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন অনেক আলোচিত সমালোচিত হেভিওয়েট প্রার্থী।
২০০৯ সালের উপজেলা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন এমন মাত্র ৫ জন চেয়ারম্যান এবছরও নির্বাচিত হয়েছেন। দলগত অবস্থানে ১৫ চেয়ারম্যানের মধ্যে ৯ জন আওয়ামী লীগ এবং ৬ জন বিএনপি সমর্থিত। অপরদিকে এ ১৫টি উপজেলার ১৫ জন পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিতদের মধ্যে ৯ জন আওয়ামী লীগ, ১ জন জাপা (এরশাদ), ২ জন বিএনপি ও ৩ জন জামায়াত সমর্থিত এবং ১৫ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন আওয়ামী লীগ ও ৮ জন বিএনপি সমর্থিত। ২০০৯ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন এমন ১১ জন এ বছরও ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
১৫ উপজেলার নির্বাচিত নতুন মুখের ১০ চেয়ারম্যান হলেন- মুরাদনগরে সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম খসরু (আ.লীগ), হোমনায় অ্যাড. আজিজুর রহমান মোল্লা (বিএনপি), মেঘনায় আবদুস ছালাম (আ.লীগ), তিতাসে সালাহউদ্দিন সরকার (বিএনপি), চান্দিনায় তপন বক্সী (আ.লীগ), বুড়িচংয়ে মিজানুর রহমান (বিএনপি), দেবিদ্বারে রুহুল আমিন (বিএনপি), লাকসামে অ্যাড. ইউনুছ ভুঁইয়া (আ.লীগ), মনোহরগঞ্জে ইলিয়াস পাটোয়ারী (বিএনপি), বরুড়ায় আবদুল খালেক চৌধুরী (বিএনপি) এবং ২০০৯ সালে নির্বাচিত হয়েছিলেন এমন ৫ চেয়ারম্যান হলেন- চৌদ্দগ্রামে আবদুস সোবহান ভুঁইয়া হাসান (আ.লীগ), নাঙ্গলকোটে সামছুদ্দিন কালু (আ.লীগ), ব্রাহ্মণপাড়ায় জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী (আ.লীগ), আদর্শ সদরে অধ্যক্ষ আবদুর রউফ (আ.লীগ), সদর দক্ষিণে গোলাম সারওয়ার (আ.লীগ)।
গত ১৯ মে পর্যন্ত ৫ ধাপে জেলার ১৬ উপজেলার মধ্যে ১৫টি উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে আইনী জটিলতার কারণে দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন আপাতত হচ্ছে না।
