রংপুরের সদর, গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলায় এবং বগুড়ার ধুনটে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেকস্থানে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে ও তার ছিঁড়ে বিদ্যুত্ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। খবর ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের।
রংপুর প্রতিনিধি ও গঙ্গাচড়া সংবাদদাতা জানান, গত বুধবার রাতে রংপুরের সদর, গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া উপজেলার উপর দিয়ে ৭৫ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ৫ শতাধিক ঘর-বাড়ি ও গাছ-পালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ায় গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুত্ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
সদর উপজেলায় বয়ে যাওয়া ঝড়ে শতাধিক ঘর-বাড়িসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে ধান ও ভুট্টা ক্ষেত ঝড়ো বাতাসে নুয়ে পড়েছে। ভুট্টা চাষি আমিন মিয়া জানান, দেড় বিঘা জমির ভুট্টা ঝড়ো বাতাসে মাটির সাথে মিশে গেছে।
এদিকে কাউনিয়া উপজেলার নজিরদহ ও সাব্দি গ্রামে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকার মানুষ ঘর-বাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ঘর-বাড়ি হারা এসব মানুষের অভিযোগ সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা তাদের কোনো খোঁজ খবর নেয়নি।
অপরদিকে, ঝড়ে গঙ্গাচড়া উপজেলার চরাঞ্চলে তিন শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। উপড়ে পড়েছে অনেক গাছ-পালা।
ধুনট (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, বগুড়ার ধুনট উপজেলার উপর দিয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে বয়ে যাওয়া কাল বৈশাখী ঝড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ৩০টি গ্রামের কয়েক হাজার গাছপালা ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে ক্ষেতের পাকা ধান ঝড়ে গেছে এবং অনেক সবজি বাগান নষ্ট হয়ে গেছে। তাছাড়া বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে ও তার ছিঁড়ে পুরো উপজেলায় বিদ্যুত্ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। রাস্তায় গাছ ভেঙ্গে পড়ায় প্রায় সব রুটের যানচলাচল বন্ধ ছিল।
