প্রথম সফরে চীন বা জাপান যেতে পারেন মোদী

আপডেট : ২৩ মে ২০১৪, ২৩:৩৪
নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এনডিএ জোট সরকার গঠনের পর তাদের সরকারের পররাষ্ট্র নীতি কী হবে তা নিয়ে বিশ্বে নানামুখি উদ্বেগের জন্ম হয়েছে। তবে জাপান টাইমসের এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদী প্রথম জাপান কিংবা চীন সফর করতে পারেন। এর কারণ হলো মোদীর ব্যবসায়িক নীতি। যদিও গত বৃহস্পতিবার ভারতের দৈনিক বিজনেস স্টান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিলো, নরেন্দ্র মোদী দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসতে পারেন। ঐ সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বহু প্রতীক্ষিত তিস্তার পানি-বন্টন চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। জাপান টাইমসের নিবন্ধে বলা হয়েছে, গত এক দশকে পশ্চিমারা যখন মোদীকে অবজ্ঞা করেছে তখন জাপান ও চীন মোদীর প্রতি সৌজন্যতা দেখিয়েছে। ২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র তাকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর মোদীর পূর্বে জাপানের দিকে ঝোঁকেন ২০০৭ সালে। এর মাধ্যমে গুজরাট ও জাপানের মধ্যে বিনিয়োগের চ্যানেল উন্মোচন করেন। ২০১২ সালের জুলাইয়ে চার দিনের একটি উচ্চ পর্যায়ের সফরে জাপান যান। তাকে তার প্রটোকলের চেয়ে বেশি সমাদর করা হয় তখন। ২০১২ সালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনঝো অ্যাবের বিপুল জয়ের পর প্রটোকল ভেঙে মোদী তাকে অভিনন্দন জানান। এই দুই জাতীয়তাবাদী নেতার মধ্যে এই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ দুই দেশের জন্য লাভের পথ উন্মুক্ত করতে পারে। রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদী চীন ও গুজরাটের মধ্যে বাণিজ্যিক সহযোগিতার সূত্রপাত করেন। ২০১১ সালের নভেম্বরে চীনে একটি উচ্চ পর্যায়ের সফরে যান নরেন্দ্র মোদী। ঐ সফরে তাকে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপলে সংবর্ধনা দেয়া হয়। সাধারণত কোনো দেশের সরকার প্রধানকেই এ ধরনের সম্মান দেয়া হয়ে থাকে। এই সম্পর্ককে দুই দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর সুযোগ হতে পারে তার। মোদীর এই অবস্থান বলছে, ভারতের পররাষ্ট্র নীতি এবং বাণিজ্যিক আমলাতন্ত্র ভারতকে লাল ফিতার দৌরাত্ম কমিয়ে লাল গালিচার স্থলে নিয়ে যাবে।