বাড়ির বাইরের অংশে ছাড়া ধুমপান করা যাবে না, কোনো স্মারক নেয়ার চেষ্টা করা যাবে না। তবে অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য দক্ষ একটি সেবাকর্মীদল হাজির থাকবেন। এই বাড়ি ভাড়া নিতে গেলে আপনার পকেট যে যথেষ্ট ভারি, সেটা আগেই প্রমাণ করতে হবে। জমা দিতে হবে ৬ হাজার পাউন্ড।
দল থেকে বাদ পড়েও কেউ ধনী হতে পারে! দল থেকে বাদ পড়লে তো বরং অর্থনৈতিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা।
কিন্তু এই স্বাভাবিক হিসাবটা আর যার ক্ষেত্রেই হোক, রোনালদিনহোর ক্ষেত্রে সত্যি নয়। বিশ্বকাপের দলে জায়গা না হওয়ায় মনে হয়তো কষ্ট পেয়েছেন। কিন্তু একসময়ের এই বিশ্বসেরা ফুটবলার অর্থনৈতিকভাবে এই বাদ পড়ার ষোলো আনা ফায়দাই তুলে নিচ্ছেন। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, বিশ্বকাপের সময় প্রতি রাতে বাংলাদেশি টাকায় ১০ লাখেরও বেশী টাকা আয়ের একটা বুদ্ধি করে ফেলেছেন এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার।
অবশ্য আয়ের উপায়টা মোটেও অসাধু কিছু নয়—বিশ্বকাপের সময় রিওতে নিজের বাগানবাড়িটা ভাড়া দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই ভাড়াটা দিচ্ছেন একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। নিজের টুইটারেও এই খবরটা নিশ্চিত করেছেন রোনালদিনহো। সঙ্গে কিছু ছবি দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘যে খুশি এখানে থাকতে পারেন।’
অবশ্য থাকতে গেলে যে মূল্যটা গুনতে হবে, সেটাই আসল ব্যাপার। এই বাড়ি ভাড়া নিতে চাইলে প্রতি রাতে ৯ হাজার ১২০ পাউন্ড করে খরচ করতে হবে। মানে বাংলাদেশি টাকায় ১০ লাখ টাকার ওপরে প্রতি রাতে খরচ।
এই খরচ যে করবেন, তার মূল আকর্ষণ অবশ্যই হবে কিংবদন্তি খেলোয়াড়ের ছোয়া থাকা এক বাড়িতে রাত কাটানো। তবে এমনিতেই বাড়িটা কম আকর্ষণীয় নয়। এখানে আছে পাঁচটি বিলাসবহুল শোবার ঘর, একটি সুইমিংপুল, সনা বাথ, বারবিকিউ করার জায়গা, ছয়টি সর্বাধুনিক ফিটিংয়ের বাথরুম। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ বাড়ির বিভিন্ন লবিতে রোনালদিনহোর প্রমাণ আকারের ছবি ও স্মারক রয়েছে।
তবে কিছু নিষেধাজ্ঞা আছে। বাড়ির বাইরের অংশে ছাড়া ধুমপান করা যাবে না, কোনো স্মারক নেয়ার চেষ্টা করা যাবে না। তবে অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য দক্ষ একটি সেবাকর্মীদল হাজির থাকবেন।
এই বাড়ি ভাড়া নিতে গেলে আপনার পকেট যে যথেষ্ট ভারি, সেটা আগেই প্রমাণ করতে হবে। জমা দিতে হবে ৬ হাজার পাউন্ড।
কাটাবেন নাকি একটা রাত রোনালদিনহোর বাড়িতে?
