গানে কবিতায় নজরুলের মানবতার বাণী

আপডেট : ২৫ মে ২০১৪, ২৩:১৬
গণমানুষের প্রিয় কবি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৫তম জন্মদিন হূদয়ের উষ্ণতায় স্মরণ করলো পুরো জাতি। নজরুলের বৈচিত্র্যময় সুর-ঐশ্বর্যের সম্মোহন আর অসামপ্রদায়িক মানবতার বাণী উচ্চারণে মুখর ছিল প্রতিটি অনুষ্ঠান মঞ্চ। সাম্যবাদী ও দ্রোহী চেতনার ধারক কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রবিবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার জীবনবোধ শিল্পীরা গানে, কবিতায় ফুটিয়ে তোলেন। এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে রবিবার ভোর থেকেই মানুষের ঢল নামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ ীয় মসজিদের পাশে কবির সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংগঠনসহ সর্বস্তরের হাজারো মানুষ। শ্রদ্ধা জানান কবি পরিবারের সদস্যরাও। দিনভর অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল গান, নৃত্য পরিবেশনা, আবৃত্তি, নৃত্যনাট্য মঞ্চায়ন, নজরুল বিষয়ক আলোচনা, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান প্রভৃতি। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ব্যাপক বর্ণাঢ্য আয়োজন ছিল মহান কবির জন্মদিনে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে জাতীয় কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল সকালে ময়মনসিংহের ত্রিশালে। কবির স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম, দরিরামপুর ও দৌলতপুরসহ সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদা, উত্সাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কবির জন্মদিন উদযাপিত হয়েছে। এছাড়া সারাদেশে জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত সমাধি কবির সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা। ঢল নামে হাজারো মানুষের। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে প্রথমে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। এরপর শ্রদ্ধা জানান কবির নাতনী খিলখিল কাজীসহ কবি পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এরপরই শ্রদ্ধা জানান সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের নেতৃত্বে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এরপর একে একে বিভিন্ন সামাজিক রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠন শ্রদ্ধা জানান। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির নেতৃত্বে শুভেচ্ছা জানান দলের নেতা-কর্মীরা। বিএনপির পক্ষে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, ঢাবির বিভিন্ন হল, বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি, নজরুল ইনস্টিটিউট, জাতীয় জাদুঘর, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠী, জাতীয় গ্রন্থাগারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় কবির নাতনী খিলখিল কাজী বলেন, বর্তমানে নজরুলকে শুধু জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতেই স্মরণ করা হয়। জাতীয় কবি উপাধি দেয়া হলেও প্রকৃত পক্ষে গান, নাটক ও চলচ্চিত্র কোন জায়গাতেই কবির রচনার উপস্থিতি দেখা যায় না। তাই নজরুলের সৃষ্টি দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনসহ বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। ঢাবি ভিসি বলেন, কবি নজরুল ছিলেন বিদ্রোহী কবি। তার লেখার মধ্যে বিদ্রোহ ফুটে ওঠে। আমাদের উচিত নজরুলমুখী হওয়া। আসাদুজ্জামান নূর বলেন, নজরুল সব সময় অন্যায়-অবিচার ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। ১৯৭১ সালে নজরুলের যেমন প্রয়োজন হয়েছিল একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে, তেমনি বর্তমানেও তার প্রয়োজন রয়েছে। শিল্পকলা একাডেমি জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে শিল্পকলা একাডেমি। সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ড. জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী। আলোচক ছিলেন কথাসাহিত্যিক রশীদ হায়দার। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক সোহরাব উদ্দীন। আলোচনা শেষে সংগীত পরিবেশন করেন খিলখিল কাজী, সুজিত মোস্তফা, ইয়াকুব আলী, শহীদ কবির পলাশ, সুমন চৌধুরী, নাসিমা শাহীন ফ্যান্সি, অনিন্দিতা, জান্নাত-ই-ফেরদৌস লাকী, প্রদীপ নন্দী, রাহাত আরা গীতি, কৃষ্ণা আচার্য ও বাবু রহমান। আবৃত্তি ও পাঠে অংশ নেন সৈয়দ হাসান ইমাম, আহকামউল্লাহ, আশরাফুল আলম ও মাহমুদা আখতার। নৃত্য পরিবেশন করে নবচেতনা ও বুলবুল ললিতকলা একাডেমি অব ফাইন আর্টস (বাফা)। নজরুল ইন্সটিটিউট নজরুলজয়ন্তী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে নজরুল ইন্সটিটিউট। আলোচনা, সার্টিফিকেট প্রদান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে সাজানো হয়েছে আয়োজন। রবিবার সকালে সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর ও ইন্সটিটিউটের যৌথ আয়োজনে বইয়ের আড়ং উদ্বোধন করা হয়। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত চলবে এই বইমেলা। সকাল সাড়ে দশটায় জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণে নজরুলের আলোকচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করা হয়। বিকালে ধানমন্ডির নজরুল ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নজরুল সাহিত্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ বিষয়ে আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি সচিব রণজিত্ কুমার বিশ্বাস। সম্মানিত অতিথি ছিলেন কবি নাতনি ও ইন্সটিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য খিলখিল কাজী। ইন্সটিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নির্বাহী পরিচালক ইকরাম আহমেদ। আলোচনা শেষে শুরু হয় গান, কবিতা, নাটক ও নৃত্যে সাজানো সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে একক কণ্ঠে গান শোনান নীলিমা দাশ, খালিদ হোসেন, রওশন আরা মুস্তাফিজ, ফেরদৌস আরা, সালাউদ্দিন আহমেদ, খিলখিল কাজী, সুজিত মোস্তফা, মুর্শিদ জাহান, রওশন আরা সোমা, শহীদ কবির পলাশ, শারমিন সাথী ইসলাম ও শহীদ খান। দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন ইন্সটিটিউটের নজরুলসঙ্গীত শিক্ষার্থীরা। দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন ইন্সটিটিউটের আবৃত্তি প্রশিক্ষণার্থী শিল্পীরা। একক কণ্ঠে আবৃত্তি করেন মাহিদুল ইসলাম ও সীমা ইসলাম। যুগল নৃত্য পরিবেশন করেন সোহেল রহমান ও আনিকা কবির শখ। সব শেষে পরিবেশিত হয় নাটক ‘পুতুলের বিয়ে’। নজরুল একাডেমি তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে নজরুল একাডেমি। রবিবার বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন হয়। এবারের নজরুল একাডেমি পদক প্রদান করা হয় শিল্পী এম এ মান্নানকে। একই আয়োজনে নজরুল একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির সভাপতি ড. আশরাফ সিদ্দিকী। স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মিন্টু রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কবির নাতনি খিলখিল কাজী ও ম. মীজানুর রহমান। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে নজরুলসঙ্গীতের পাশাপাশি পরিবেশিত হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ থেকে প্রচারিত গান। এবি ব্যাংক চ্যানেল আই নজরুল মেলায় নিলীমা দাশকে সম্মাননা এবি ব্যাংক চ্যানেল আই নজরুল জন্মজয়ন্তী মেলায় আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীত শিল্পী ও প্রশিক্ষক নিলীমা দাশ। সেইসঙ্গে তাঁকে উত্তরীয়, অর্থমূল্য চেক ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। চ্যানেল আইয়ের এটা ছিল নবম নজরুল জয়ন্তী মেলা। রবিবার সকালে বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন সঙ্গীতজ্ঞ সুধীন দাশ, এবি ব্যাংকের একটিং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মশিউর রহমান চৌধুরী, ড. করুণাময় গোস্বামী, সৈয়দ হাসান ইমাম, মাহবুব জামিল, কবি হাবিবুল্ল¬াহ সিরাজী, আতাউর রহমান, খালিদ হোসেন, বাংলালিংকের পি আর এন্ড কমিউনিকেশন্স শেহজাদ এস. হোসেন প্রমুখ। এ সময় চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজসহ অন্য পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে জাতীয় কবির গানে নৃত্য পরিবেশন করে ভোরের পাখি নৃত্যকলা একাডেমি। ফেরদৌস আরার সঙ্গে দলীয় পরিবেশনায় ‘একি অপরূপ রূপে মা তোমার...’ গানটি পরিবেশনের পর গান পরিবেশন করেন শিল্পী নাশিদ কামাল। এরপর সঙ্গীত পরিবেশন করেন সাদিয়া আফরিন মল্লি¬ক, সুজিত মোস্তফা, নজরুলের ভাওয়াইয়া গান পরিবেশন করেন সফিউল আলম রাজা ও তার দলের সদস্যরা। কবির ‘মানুষ’ কবিতা আবৃত্তি করেন সৈয়দ হাসান ইমাম, গানের সঙ্গে নৃৃত্য পরিবেশন করেন চ্যানেল আই সেরা নাচিয়ে ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিল্পীরা। নজরুল সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেন মেলায় আগত সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। এবারের মেলায়ও ছিল প্রবীণদের পাশাপাশি একদল শিশুর উন্মুক্ত চিত্রাংকন। ছিল নজরুলের ছোটবেলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ের ছবি নিয়ে ফটো গ্যালারী। চিত্রাংকনে বরেণ্য শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন সমরজিত রায় চৌধুরী, আব্দুল মান্নান, বীরেন সোম, মনিরুজ্জামান, রাশা ও জহির উদ্দিন। চিত্রাংকন পর্বে অংশ নেয়া শিশুশিল্পীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু। মেলায় কুটির শিল্পের স্টলসহ প্রায় ২০টি স্টল ছিল। মেলা মঞ্চে বেশ কয়েকটি সিডির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। শিল্পী ফেরদৌস আরার দুটি অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অ্যালবাম দুটি হচ্ছে ‘ঘরে ঘরে গানের উত্সব’ ও ‘নজরুল সঙ্গীত সমগ্র-প্রথম খণ্ড’। এছাড়া কৃষ্ণকান্ত আচার্য’র পরদেশী মেঘ’রও মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ছায়ানটের নজরুল উত্সব গতকাল ছায়ানটের নজরুল উত্সবের দ্বিতীয় ও শেষদিনের অনুষ্ঠান শুরু হয় ‘শুভ্র সমুজ্জ্বল হে চির নির্মল’ সম্মেলক গান দিয়ে। এরপর ‘এসো হে সজল শ্যামঘন দেয়া’ সম্মেলক কণ্ঠে গাওয়া গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন বেলায়েত হোসেন ও ফাহিমা সামাদ। একক সঙ্গীত পরিবেশন করে যে শিল্পীরা: নুসরাত জাহান রুনা, জগদানন্দ রায়, দেবশ্রী অন্তরা দাশ, অনিমেষ সরকার, আফরোজা খান মিতা, সাদিয়া শরীফ বৈশাখী, নাসিমা শাহীন ফ্যান্সি, মোহিত খান, সুস্মিতা দেবনাথ শুচি, সেলিনা হোসেন, কল্পনা আনাম, নবনীতা চক্রবর্তী, ইয়াসমিন মুশতারী, সালাউদ্দীন আহমেদ, মাহবুব আরা বিপাশা, ফকির শহিদুল ইসলাম, রেজাউল করিম, সাদিয়া ইসলাম লতা, সুমন মজুমদার, মফিজুর রহমান, রওশন আরা সোমা ও যোসেফ কমল রড্রিক্স। সবশেষে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান। যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন: তবলা-স্বরূপ হোসেন, বাদল চৌধুরী; বেহালা-আলমাস আলী; কী-বোর্ড-ইফেতখার হোসেন সোহেল; মন্দিরা-প্রদীপ কুমার রায়।