স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘কৌশলগত’ কারণে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) ক্ষমতা কমিয়ে আনা হয়েছে। তবে যখনই দরকার হবে, তখনই সরকার র্যাবকে ব্যবহার করবে। গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসন্ন রমজান উপলক্ষে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, পুলিশ মহাপরিদর্শক, র্যাব মহাপরিচালক ও মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রমজানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে। ক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক কাজ করবে। প্রতিটি মার্কেটে বসানো হবে সিসি ক্যামেরা। তিনি আরও বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে জেনেছি, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজারে কোন সংকট থাকবে না। প্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ ও সরবরাহ যে পর্যায়ে রয়েছে তাতে মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নেই। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাজার মনিটর করবে।
রমজানে কেউ পণ্যের দাম বাড়ালে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেউ ব্যবসায়িক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
দেশের উত্তরাঞ্চলে পরিবহন ধর্মঘট প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নসিমন, করিমন, ভটভটি বন্ধ করতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব যানবাহন শুধু ভেতরের রাস্তায় চলতে পারবে।
পুলিশ মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, আইনে যেভাবে বলা আছে, র্যাব সেভাবেই তার দায়িত্ব পালন করবে। রমজানের সময় প্রতিবছর যেভাবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, এবারও সেভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
র্যাব মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমান বলেন, রজমান ও ঈদের সময় র্যাব রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশন, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন জায়গায় টহল দেবে। তবে এখন থেকে র্যাব দরপত্র বাক্স পাহারা, জমিজমা ও টাকা লেনদেন, পারিবারিক বিরোধ সংক্রান্ত কোন কর্মকাণ্ডে অংশ নেবে না। এ ব্যাপারে র্যাবের প্রতিটি ব্যাটালিয়নকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
