ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে দন্ডের পর মেয়রের অনুরোধে প্রত্যাহার

আপডেট : ২৮ মে ২০১৪, ২৩:০৮
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে গেলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে দুই বছর কারাদণ্ড দেন। পরে সিটি মেয়রের অনুরোধে দণ্ড প্রত্যাহার করেন ওই আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন টেকবাজার খালপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, গত মঙ্গলবার টেকবাজার খালপাড় এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে যান সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া শিরিন। এসময় তিনি সেখানে ৭/৮টি অবৈধ ঘর উচ্ছেদ করেন। নুরু নামে এক ব্যক্তিকে তার অবৈধ ঘর উচ্ছেদ করার জন্য তিন দিন সময় বেঁধে দেন নাজিয়া শারমিন। গতকাল বুধবার সকালে নাজিয়া শারমিনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পুনরায় উক্ত এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানে গেলে এলাকাবাসী আবার প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। তারা নুরুর ঘর না ভেঙে অন্য কোনো স্থাপনা উচ্ছেদ না করার দাবি জানায়। এসময় সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহবুবুল আলমকে দুই বছর কারাদণ্ড প্রদান করেন ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া শিরিন। পরবর্তীতে বিষয়টি সিটি মেয়র এবং অন্যান্য কাউন্সিলরদের জানানো হলে তাদের অনুরোধে ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ড প্রত্যাহার করেন। মাহবুবুল আলমকে থানা থেকে সিটি করপোরেশন ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী ইত্তেফাককে বলেন, পুরো ব্যাপারটি আসলে ভুল বোঝাবুঝির জন্য হয়েছে। এই ভুল বোঝাবুঝি থেকেই মাহবুবুল আলমকে ম্যাজিস্ট্রেট মৌখিকভাবে দুই বছর কারাদণ্ড প্রদান করেন। তবে মেয়র এবং অন্যান্য কাউন্সিলররা ঘটনাটি মীমাংসার আশ্বাস দিলে ম্যাজিস্ট্রেট মৌখিকভাবে দেয়া দণ্ড প্রত্যাহার করেন। এ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া শিরিন ইত্তেফাককে বলেন, সরকারি কাজে বাধাদানের অপরাধে কাউন্সিলর মাহবুবুল আলমকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তবে মেয়র মহোদয়ের অনুরোধে পরে এই দণ্ড স্থগিত করা হয়েছে।