তিন মাসে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ‘রবির’ ৪৩০ কোটি টাকা

আপডেট : ২৮ মে ২০১৪, ২৩:১৬
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (প্রথম প্রান্তিক) সরকারি কোষাগারে ৪৩০ কোটি টাকার বেশি জমা দিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি, যা কোম্পানির মোট রাজস্বের ৩৮ শতাংশ। দ্বিতীয় প্রজন্মের (টুজি) নেটওয়ার্কের পরিধি বৃদ্ধি ও ৩.৫জি নেটওয়ার্ক স্থাপনে বিনিয়োগের পরও রাজস্ব বৃদ্ধি ও ব্যয় সঙ্কোচনের কারণে ইবিআইটিডিএ (সুদ, কর, অবচয় ও অবলোপন পূর্ববর্তী আয়) ও পিএটি ২০১৪ সালের প্রথম প্রান্তিকে কার্যকর অগ্রগতি হয়েছে। গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে রাজস্ব ছিল ১১ বিলিয়ন, প্রথম প্রান্তিকে তা বেড়ে হয়েছে ১১ দশমিক ৭ বিলিয়নে। গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। রবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও সুপুন বীরাসিংহে বলেন, সূচকগুলোর অগ্রগতিতে স্থিতিশীল পারিপার্শ্বিক অবস্থা সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। ৩.৫জি নেটওয়ার্কের বিস্তৃতির সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা অনুপ্রাণিত। তাই বাংলাদেশ সরকারের স্বপ্ন অনুযায়ী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সাশ্রয়ী মূল্যে দেশজুড়ে ইন্টারেনট সেবা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে বদ্ধপরিকর মোবাইল ফোন অপারেটর রবি। রবি’র চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মাহতাবউদ্দিন আহমেদ বলেন, গ্রাহকদের জন্য বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় ভয়েস ও ইন্টারনেট প্যাকেজ এনেছে রবি। গ্রাহক বৃদ্ধির ব্যাপারটি মাথায় রেখে গ্রাহক যেন সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা গ্রহণ করতে পারেন, এ জন্য সমন্বিত ইন্টারনেট ট্যারিফসহ প্রযুক্তি পণ্যের অফার ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহজ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রবি। বর্তমানে বাংলাদেশের সব গুরুত্বপূর্ণ জেলায় এক হাজার ৪০টি স্থানে রবি’র ৩.৫জি নেটয়ার্ক বিস্তৃত। এ সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ৩.৫জি নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে দেয়ার কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে রবি’র গ্রাহক ২ কোটি ৩৯ লাখে দাঁড়িয়েছে।