সন্ত্রাস বিরোধী লড়াইয়ে ৫শ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ২৯ মে ২০১৪, ২১:৫০
সন্ত্রাস বিরোধী লড়াইয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘পার্টনারশিপ ফান্ড’ হিসাবে ৫শ’ কোটি ডলার তহবিল সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে বিবিসির খবরে। নিউইয়র্কে ওয়েস্ট পয়েন্টের মিলিটারি একাডেমিতে দেয়া বক্তব্যে ওবামা এ পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে বিদেশে মিত্রদের সঙ্গে ‘সমন্বিত উদ্যোগের’ ভিত্তিতে নতুন একটি মার্কিন বৈদেশিক নীতি পরিচালনারও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। ওবামা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই নেতৃত্বের সারিতে থাকবে। তবে অতীতের ক্ষতিকারক ভুলগুলোকে এড়িয়ে চলবে। বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধে তহবিল সহায়তার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরো বেশি শত্রু তৈরি করা উচিত না। তহবিল যোগানের ব্যাপারে তিনি বলেন, আফগানিস্তানে যুদ্ধের অবসান ঘটলে আমরা এ বছরের শেষদিকে অন্য যে কোনো জায়গায় নতুন সন্ত্রাসের হুমকি সামাল দেয়ার মতো সম্পদ পেয়ে যাব। অন্যান্য দেশে উগ্রবাদীদের বিরুদ্ধে লড়তে ৫শ’ কোটি ডলারের মতো নতুন তহবিল যোগানো সম্ভব হবে। এ অর্থ ইয়েমেনের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণ মিশনসহ সোমালিয়ায় বহুজাতিক বাহিনীর শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, লিবিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণে ইউরোপীয়দের মিত্রদের সঙ্গে কাজ চালাতে এবং মালিতে ফ্রান্সের অভিযান পরিচালনার কাজে ব্যয় হবে। আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিতে নবযুগের সূচনা উল্লেখ করে ওবামা বলেন, সেনা প্রত্যাহার করে তাদেরকে অন্যত্র মোতায়েনের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের পরবর্তী হুমকি মোকাবিলায় আরো ভালোভাবে মনোনিবেশ করা যাবে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বিরোধীদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ানোর কথা বলেন ওবামা। তবে এ ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি। ওবামা তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সমালোচকদের সমালোচনারও জবাব দেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির ধারণাটি আরো স্পষ্ট করে তুলে ধরার চেষ্টায় ওবামা বলেন, কেবল প্রয়োজনের সময়ই সামরিক শক্তি ব্যবহার করা আর প্রাথমিক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে কাজ করাটাই হবে তার দেশের নীতি।