ফিরোজ শাহী। একাধারে নাট্যকার ও নাটক নির্মাণের পাশাপাশি অভিনয় করছেন দীর্ঘদিন। ইমদাদুল হক মিলনের বিখ্যাত ‘রূপনগর’ নাটক থেকে শুরু করে একাধিক জনপ্রিয় নাটকের সাথে রয়েছেন দীর্ঘদিন। দীর্ঘদিনের অভিনয়ের অভিজ্ঞতা থেকেই এবারই প্রথমবারের মতো সিনেমায় কাজ শুরু করলেন। সেই গল্পই বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন সুহূদ সুফিয়ান
ছবির নাম ‘এই গল্পে ভালোবাসা নেই’। এটা কী শুধুই দর্শক ধরে রাখার জন্য স্টান্ট
নাকি অন্য কিছু?
না, এই ছবিতে অন্যরকম ভালোবাসার গল্প রয়েছে। পরিচালক রয়েল খানের সাথে যখন এই ছবিটি নিয়ে আলাপ হয়, তখনই আমরা নির্ধারণ করি যে শুরুতেই চমক দিতে হবে।
ছবির নির্মাতা ও কলাকুশলী নিয়ে বলুন।
এই ছবিতে রয়েল খান নামের তরুণ মেধাবী নির্মাতা কাজ করছেন। এছাড়া ইশারা ও তানহা নামের দুই নবাগতার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো দর্শকদের। এর বাইরে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র তারকা মিশা সওদাগর, দিতি, শিরীন বকুল অভিনয় করছেন।
নতুনদের সাথে কাজ, পাশাপাশি আপনারাও প্রথম ছবি। পুরো ব্যাপারটি কি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেল না?
আমি মনে করি না। কারণ এখন কারো নামে ছবির এক্সট্রা বুকিং হয় না। আর আমি মনে করি, ১০০টি নাটক করলেও একটা সিনেমার সমান অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায় না। এখানে সবকিছুই ভিন্ন। সিনেমার ব্যাপারগুলোই আলাদা।
আপনার ছবিতে বাড়তি বিশেষত্ব কী থাকছে?
আমরা প্রথমবারের মতো বেশ কিছু অ্যাকশন ও দুুটি গান চিত্রায়ন করেছি ভিন্নভাবে। এটা সবচেয়ে বড় চমক। আমাদের ছবির কাজের সুবিধার্থে খোদ রেল মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করছে।
চলচ্চিত্রে লগ্নি আর অভিনয়ে কারণে আপনার স্ক্রিপ্ট লেখা বা অন্য কাজে ব্যত্যয় করছেন কতটুকু?
না সেটা তো করছি না। আসলে চলচ্চিত্রের স্বপ্ন সবারই থাকে। তেমনি আমারও। আমি তাই অনেক স্বপ্ন-পরিকল্পনার পরই এই চলচ্চিত্রের কাজে হাত দিয়েছি। পাশাপাশি অভিনেতা-নির্মাতা ড্যানি সিডাকের পরিচালনায় একটি সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্ট লিখছি। সেটিও ভিন্ন ধারার একটি চলচ্চিত্র হবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি বিশ্বাস করি, দর্শকেরা এখন আমাদের চলচ্চিত্র নিয়ে অনেক আগ্রহী। তাই চলচ্চিত্র নিয়ে আমি মোটেও হতাশ নই।
