সময়মতো সব প্রকল্প বাস্তবায়নে মন্ত্রীদের প্রতি মোদীর নির্দেশ

আপডেট : ৩০ মে ২০১৪, ২২:৪৩
ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে আলোচনা আছে- তিনি পরিশ্রমী এবং কাজের গুনগত মানের ক্ষেত্রে কোন ছাড় দেন না। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই তার সেই আচরণের প্রতিফলন ঘটলো। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের সব প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে সময়মতো বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। তার নির্দেশের পর নড়েচড়ে বসেছেন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও। মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের ১শত দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মন্ত্রীদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অফিসের একটি সূত্র ইত্তেফাককে জানিয়েছেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবদের সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর মন্ত্রিসভায় ৪৫ জন সদস্য রয়েছেন। মোদী বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠাই বর্তমান সরকারের প্রধান এজেন্ডা। আর এক্ষেত্রে জনসেবামূলক কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নই হবে মূল অগ্রাধিকার। সংসদ বিষয়কমন্ত্রী এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু এ তথ্য জানিয়েছেন। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিক্ষা, জ্বালানি, অবকাঠামো, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং স্বচ্ছতাসহ ১০টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বর্তমান সরকার। মোদী বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধিদের কাছ থেকে আসা কাজ দ্রুত করার পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রীদের। এমনকি সংসদ সদস্যরা যেসব বিষয়ে সংসদে উত্থাপন করবেন সেইসব বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়ার জন্যও নির্দেশ দিয়েছেন মোদী। আগামী ৪ জুন ১৬তম লোকসভার প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের নিয়মিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো ব্যবহারে সতর্কতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আর এজন্য তথ্য ও সমপ্রচার বিভাগকে আরো উন্নত করা হবে - জানিয়েছেন তথ্য, সমপ্রচার এবং পরিবেশমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, পরিবেশ ছাড়পত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে এবং যতো দ্রত সম্ভব ছাড়পত্রের অনুমোদন দেওয়া হবে। রাজ্যের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে। উল্লেখ্য, বিগত কংগ্রেস সরকারের আমলে এই ছাড়পত্র দেওয়া নিয়ে নানা সমালোচনা ছিল। বর্তমানে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে একটি প্রকল্পের ছাড়পত্র দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানান জাভেদেকার। একইভাবে পরিবহনমন্ত্রী নীতিন গড়কড়িও জানিয়েছেন, তিনিও তার কাজের ক্ষেত্রে দ্রুততা এবং স্বচ্ছতাকে গুরুত্ব দেবেন। স্বচছতা আনতে টেন্ডার অনলাইনে সম্পন্ন করা হবে। কর্মকর্তাদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।