গোয়াইনঘাটে দুই বাড়িতে ডাকাতি, যুবলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

আপডেট : ৩০ মে ২০১৪, ২২:৪৪
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় একই রাতে আধাঘন্টার ব্যবধানে দুটি বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। অস্ত্রধারী ১০-১২ জনের ডাকাত দল একজন স্কুল শিক্ষক ও অপর এক প্রবাসীর বাড়ি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ ১০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করেছে। ডাকাতদের হামলায় স্কুল শিক্ষক ছিদ্দিক আহমদ ও তার দুই ছেলে গুরুতর আহত হয়েছেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতা ঘেরাও দিয়ে ৫ ডাকাতকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা যুবলীগ নেতা কয়েস আহমদও রয়েছে। তাদের কাছ থেকে কিছু স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। গণপিটুনিতে গুরুতর আহত ৫ ডাকাতকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মধ্যরাতে অস্ত্রধারী ডাকাত দল প্রথমে উপজেলার কাকুনাখাই নয়াগ্রামে জৈন্তাপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিদ্দিক আহমদের বাড়িতে হানা দেয়। তারা গ্রিলের তালা ও দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে অস্ত্রেরমুখে পরিবারের লোকজনকে জিম্মি করে। পরে আলমিরা ভেঙ্গে এবং মহিলাদের নাক, কান, গলা থেকে ৭-৮ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লাখ টাকা, ৫টি মোবাইল ফোনসেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুটে নেয়। ছিদ্দিক আহমদ ও তার দুই ছেলে আবুল কাশেম ও আবু তাহেরকে গুরুতর জখম করে ডাকাতরা। গ্রামের লোকজন ধাওয়া করলে তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়ে পালিয়ে যায়। আধাঘন্টা পর পার্শ্ববর্তী উজুহাত গ্রামের ইটালি প্রবাসী আলিম উদ্দিনের বাড়িতে হানা দেয় ডাকাতরা। দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে অস্ত্রেরমুখে পরিবারের লোকজনকে জিম্মি করে ডাকাতরা নগদ লক্ষাধিক টাকা, ৪ ভরি স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুটে নেয়। ডাকাত দল সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছেছে এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও জনতা মিলে রুপসেং গ্রাম ঘেরাও করে ৫ ডাকাতকে আটক করে।