চকোলেট বাদশা পেত্রো পোরোশেঙ্কোকেই বেছে নিলেন ইউক্রেনের মানুষ। প্রেসিডেন্ট পদের নির্বাচনে ২১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫৩ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন কোটিপতি এই চকোলেট ব্যবসায়ী। ইউক্রেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউলি তিমোশেঙ্কোও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন নির্বাচনে। কিন্তু মাত্র ১৩ শতাংশ ভোট পেয়ে আপাতত ক্ষমতার অলিন্দ থেকে বহু দূরে পড়ে থাকেন তিনি। বিজয়ী চকোলেট কিং এর ঘাড়ে দায়িত্বের পাহাড়। একই সাথে চিন্তার রাশিও। অশান্তি, গৃহযুদ্ধ ও অর্থনৈতিক ভাবে দেউলিয়া হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে পূর্ব ইউরোপের এই রাষ্ট্র। এর ওপর রয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী রুশপন্থিদের আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্য সাবেক প্রভু রাশিয়ার ক্রমাগত উস্কানি। সব মিলিয়ে ইউক্রেনের অবস্থা সত্যিই করুণ। এক সঙ্গে এতো সমস্যার সমাধান কি করতে পারবেন ক্ষুরধার ব্যবসায়ী বুদ্ধির অধিকারী ৪৮ বছর বয়স্ক পোরাশেঙ্কো? তার মানসিকতা যে ইতিবাচক তা নির্বাচনে জয়লাভের পরই সাংবাদিক বৈঠকে বুঝিয়ে দিয়েছেন পোরোশেঙ্কো। রুশ প্রতিনিধিদের সঙ্গে জুনের গোড়াতেই বৈঠক করার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে জানিয়েছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গেও শান্তিবার্তা শুরু করতে আগ্রহী তিনি। ইতিবাচক, তবে দুর্বল নন প্রথমদিনেই এমন বার্তাও দিয়েছেন নতুন প্রেসিডেন্ট। রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আহ্বান জানিয়েছেন অস্ত্র সমর্পণ করে আলোচনার টেবিলে বসতে। একই সঙ্গে জানিয়েছেন, যারা শান্তি চান কেবলমাত্র তাদের সঙ্গেই আলোচনা করবেন তিনি।
