জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী চাক হেগেলের মন্তব্যকে ‘উস্কানিমূলক’ বলে এর নিন্দা জানিয়েছে চীন। চীনের সেনাবাহিনী পিপলস লিবারেশন আর্মির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াং গুয়ানঝং গত রবিবার আরো বলেছেন, হেগেল ও অ্যাবের মন্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’।
গুয়ানঝং বলেন, বেইজিংকে আক্রমণের লক্ষ্যে তারা পরস্পর ‘সমন্বিত’ উদ্যোগ নিয়েছেন। চীনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপ্রত্যাশিত সমালোচনা গ্রহণ করাটা ‘অকল্পনীয়’। চীন কখনো আধিপত্য বা সীমানা সম্প্রসারণ করতে চায় না।
দক্ষিণ চীন সাগরে ‘অস্থিতিশীলতার’ জন্য বেইজিংকে দায়ী করে সিঙ্গাপুরে এশীয় নিরাপত্তা ফোরামের সম্মেলনে গত শনিবার বক্তব্য দেন হেগেল। আর চীনের বিরুদ্ধে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে আরও বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন অ্যাবে। আঞ্চলিক সীমানা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য অ্যাবে গত শুক্রবার নিজের পরিকল্পনা এবং সম্ভাব্য বলিষ্ঠ ভূমিকার ব্যাপারে বর্ণনা দেন। এছাড়া, বেইজিংয়ের কৌশল মোকাবিলার জন্য প্রতিবেশী কয়েকটি দেশকে উপকূলীয় নৌযান সরবরাহের ঘোষণাও দেন তিনি। তবে জাপানের নিরাপত্তার জন্য চীনা হুমকির ‘ধারণার’ জবাব দিয়েছেন বেইজিংয়ের কর্মকর্তারা।
সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশের নেতারা অংশ নিয়েছেন। চীনের সঙ্গে ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনের সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মুখে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এদিকে, পূর্ব চীন সাগরে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ এলাকা নিয়ে জাপান-চীন সম্পর্কেও অবনতি দেখা দিয়েছে।
