সেবাখাতে প্রবৃদ্ধি
সেবাখাতের প্রবৃদ্ধি নিয়ে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সংশয়ের বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেছেন, সিপিডি’র কাছে তথ্য নেই, তাই তারা এ প্রশ্ন তুলেছে।
রবিবার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সিপিডি উল্লেখ করেছে, অর্থবছরের বড় সময়জুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতায় হরতাল অবরোধে যানবাহন চলেনি। হোটেল রেস্তোরাঁসহ আবাসন ব্যবসায়ও মন্দা চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধি আগের অর্থবছরের সাড়ে ৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে চলতি অর্থবছরে ৫ দশমিক ৮ শতাংশে উন্নীত হওয়ার বিষয়টি স্পস্ট নয়।
গতকাল নিজ মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, সেবাখাতে প্রবৃদ্ধি হওয়ায় যথেষ্ঠ কারণ রয়েছে। গত বছরের তুলনায় বাস, ট্রাক ও অটো রিকশা যথাক্রমে ২.২ ভাগ, ৫.৮ ভাগ ও ৯.৬ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে যা চূড়ান্তভাবে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে। অন্যদিকে এ বছর ব্যাংকিং খাতে ফি ও কমিশন গত বছরের তুলনায় ১৩ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ২০ ভাগ মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি সেবাখাতে প্রবৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। সরকারি স্বাস্থ্য খাতে কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা বেড়েছে এবং রেজিস্ট্রার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে যা সেবাখাতে প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রী বলেন, সিপিডি’র কাছে পূর্ণাঙ্গ তথ্য নেই, জিডিপি’র তথ্য পূর্ণাঙ্গভাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কাছেই থাকে। তিনি বলেন, গত ৬ মাসে আমাদের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯.৯৬ ভাগ। কৃষি খাতে এ প্রবৃদ্ধির হার ৩.৫ ভাগ। অপরদিকে আমদানি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭.৫ ভাগ। রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৭ শতাংশে উন্নীত হতো কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলেই সার্বিক প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে।
