চলতি বছরের কেবল মে মাসেই ৪২৬ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ১৪টি জাতীয় দৈনিক থেকে সংগ্রহীত পেপার ক্লিপিং থেকে এ তথ্য জানিয়েছে। তবে সারাদেশে নারী ও শিশুর উপর নির্যাতনের বাস্তবচিত্র আরো ভয়াবহ বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে গত মাসে মোট ৭৬ জন নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৯৫টি। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৬ জন, ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৯ জনকে। এছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে আরো ১৪ জনকে। শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছে ২৩ জন এবং যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে একজন। এসিডদগ্ধের শিকার হয়েছে তিনজন। অগ্নিদগ্ধ হয়ে চার জনের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। অপহরণের ঘটনা ঘটেছে মোট ১১টি। পাচারকৃত চারজন নারী ও শিশুর মধ্যে দুইজনকে পতিতালয়ে বিক্রি করা হয়েছে।
এদিকে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪৫ জন নারী। এ কারণে হত্যা করা হয়েছে ২৪ জনকে। নির্যাতনের শিকার হয়েছে আট গৃহকর্মী। এরমধ্যে পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে। বখাটেদের উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছেন ৩২ জন নারী, এরমধ্যে আত্মহত্যা করেছেন একজন। এছাড়া বিভিন্ন সময় নির্যাতনের কারণে ২৯ জন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন এবং ২১ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছেন পাঁচজন। ফতোয়ার শিকার হয়েছেন তিনজন। পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন পাঁচজন। শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে আরও ২০ জনকে।
